সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাট শহরের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত অন্যতম আত্রেয়ী খাঁড়ির পাড় বাঁধাইয়ের কাজ অবশেষে শুরু করতে চলেছে সেচদপ্তর। ওই কাজের জন্য ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার টেন্ডার করল সেচদপ্তর। দপ্তর সূত্রে খবর, বালুরঘাট শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডেই মূলত ওই কাজ হবে। দিশারী ক্লাব থেকে মোটর কালী ব্রিজ পর্যন্ত ৫৫০ মিটার এই গার্ডওয়াল দেওয়া হবে। বিগত দিনে অনেক বাড়িঘর এই খাঁড়ির ভিতরে তলিয়ে গিয়েছে। এবারে ওই খাঁড়ির পাড় বাঁধাই হলে আর বাড়ি ঘর ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
Advertisement
এবিষয়ে সেচদপ্তরের বালুরঘাট ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার অঙ্কুর মিশ্র বলেন, ওই কাজের জন্য রাজ্য থেকে ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ওই টাকায় টেন্ডার প্রক্রিয়া হয়ে গিয়েছে। তাড়াতাড়ি ওই এলাকায় কাজ শুরু হয়ে যাবে। এদিকে বালুরঘাট পুরসভার এমসিআইসি তথা ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, দীর্ঘ বছর ওই খাঁড়ির সমস্যায় ভুগছিল বাসিন্দারা। এনিয়ে আমরা পুরসভার মাধ্যমে জেলার মন্ত্রী, প্রশাসন সহ নানা জায়গায় চিঠি করেছিলাম। সেচমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেও এই দাবি জানিয়েছিলাম। সেখান থেকেই এই কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। এই কাজ হলে একে গোপালন কলোনির সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।
বালুরঘাটের ডাঙ্গা খাঁড়ি বালুরঘাট শহরের মধ্যে প্রবাহিত হয়ে আত্রেয়ীতে মিশেছে। এই খাঁড়ি আত্রেয়ী খাঁড়ি বলেও পরিচিত এই খাঁড়ি নিয়ে নানা ইস্যু রয়েছে। কোথাও খালি জায়গা দখল করে অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। আবার কোথাও খাঁড়ির জায়গাতেই বাড়িঘর করে বসতি স্থাপন হয়েছে। ফলে ক্রমশ খাঁড়িটি বুজে আসছে। এরমধ্যেই গত প্রায় চার বছর আগে বর্ষাকালে একে গোপালন কলোনিতে বড়সড় ভাঙন দেখা দেয়। ধস নেমে একসঙ্গে প্রায় ২০টি বাড়ি তলিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, বছর বছর বর্ষা এলেই খাঁড়ি দিয়েই ওই কলোনিতে জল ঢুকে যায়। অবশেষে খাঁড়ি ভাঙনের সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের তরফে পার বাঁধাই করার পরিকল্পনা করা হয়। সেই কাজই বর্তমানে শুরু হতে চলেছে। ওই পার বাঁধাই হলে ভাঙন থেকে শুরু করে দখল, নানা সমস্যা মিটবে বলেই মনে করছে নাগরিকরা।
বালুরঘাটের ডাঙ্গা খাঁড়ি বালুরঘাট শহরের মধ্যে প্রবাহিত হয়ে আত্রেয়ীতে মিশেছে। এই খাঁড়ি আত্রেয়ী খাঁড়ি বলেও পরিচিত এই খাঁড়ি নিয়ে নানা ইস্যু রয়েছে। কোথাও খালি জায়গা দখল করে অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। আবার কোথাও খাঁড়ির জায়গাতেই বাড়িঘর করে বসতি স্থাপন হয়েছে। ফলে ক্রমশ খাঁড়িটি বুজে আসছে। এরমধ্যেই গত প্রায় চার বছর আগে বর্ষাকালে একে গোপালন কলোনিতে বড়সড় ভাঙন দেখা দেয়। ধস নেমে একসঙ্গে প্রায় ২০টি বাড়ি তলিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, বছর বছর বর্ষা এলেই খাঁড়ি দিয়েই ওই কলোনিতে জল ঢুকে যায়। অবশেষে খাঁড়ি ভাঙনের সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের তরফে পার বাঁধাই করার পরিকল্পনা করা হয়। সেই কাজই বর্তমানে শুরু হতে চলেছে। ওই পার বাঁধাই হলে ভাঙন থেকে শুরু করে দখল, নানা সমস্যা মিটবে বলেই মনে করছে নাগরিকরা।



