Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারী প্রধান শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ

ক্লাসে যেতে দেরি করেছিলেন এক সহকারী শিক্ষক। আর সেই বিষয়টি স্কুলের খাতার রিমার্কস অংশে লিখে দেন হাই মাদ্রাসার সহকারী প্রধান শিক্ষক।

সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারী প্রধান শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ
  • ২৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ডোমকল: ক্লাসে যেতে দেরি করেছিলেন এক সহকারী শিক্ষক। আর সেই বিষয়টি স্কুলের খাতার রিমার্কস অংশে লিখে দেন হাই মাদ্রাসার সহকারী প্রধান শিক্ষক। অভিযোগ, সেই কারণে সহকারী প্রধান শিক্ষককে হেনস্তা করেছেন স্কুলেরই এক সহকারী শিক্ষক ও তাঁর দুই শাগরেদ। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ডোমকলের বিএসএমএম হাই মাদ্রাসায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় মাদ্রাসা চত্বরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ডোমকল থানার পুলিসও। হাই মাদ্রাসা ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ডোমকলের শেখালিপাড়ার ওই মাদ্রাসায় বুধবার এক শ্রেণিকক্ষে অঙ্কের ক্লাস নেওয়ার কথা ছিল সহকারী শিক্ষক মইদুল ইসলামের। অভিযোগ, তিনি সেই ক্লাসে যাননি। এরপর প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে সহকারী প্রধান শিক্ষক মইদুলকে কারণ জিজ্ঞাসা করেন। পরে তিনি রিমার্কস খাতায় সেই বিষয়টি লিখে দেন। অভিযোগ, তাতেই ক্ষিপ্ত হন মইদুল। সহকারী প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার মইদুল তাঁর দুই শাগরেদ সহকারী শিক্ষককে নিয়ে এসে তাঁকে হেনস্তা করেন। একাধিকবার তাঁকে মারধরের চেষ্টাও করা হয়। যদিও বাস্তবে শারীরিকভাবে তাঁকে আঘাত করা হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন। পরে তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। খবর পেয়ে পুলিসও মাদ্রাসায় যায়।

Advertisement

সহকারী প্রধান শিক্ষক বদরেজ আলি বলেন, বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক মাদ্রাসায় উপস্থিত না থাকায় আমি কার্যত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলাম। তবু আমার অফিসে ঢুকে সহকর্মীরা আমাকে হেনস্তা করেছেন। শুধুমাত্র নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন করায় আমার সঙ্গে এভাবে আচরণ করা হয়েছে, এতে আমি মানসিকভাবে ভীষণভাবে আঘাত পেয়েছি।
অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মইদুল ইসলাম অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বুধবার ক্লাসে যেতে আমার একটু দেরি হয়েছিল, তবে ক্লাস নিয়েছি। এ নিয়ে কোনও ঝামেলা হয়নি। বৃহস্পতিবার যখন ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ, তখন আমি ক্লাসেই ছিলাম না। তারপরও আমাকে মিথ্যে ফাঁসানো হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ