Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জলস্তর বাড়তেই সূতিতে ভাঙন, পরিদর্শনে প্রশাসনের কর্তারা

গঙ্গায় জলস্তর বাড়তেই সূতির লক্ষ্মীপুরে ভাঙন দেখা দিয়েছে

জলস্তর বাড়তেই সূতিতে ভাঙন, পরিদর্শনে প্রশাসনের কর্তারা
  • ১১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: গঙ্গায় জলস্তর বাড়তেই সূতির লক্ষ্মীপুরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। বুধবার বিকেল থেকে প্রায় ৫০ ফুট জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে যান জঙ্গিপুরের সংসদ সদস্য তথা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি খলিলুর রহমান। এছাড়াও এদিনের পরিদর্শনে ছিলেন জেলা সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা, বিধায়ক ঈমানী বিশ্বাস সহ প্রশাসনের কর্তারা। এদিন প্রতিনিধিদলটি নৌকা করে ভাঙন বিধ্বস্ত এলাকাটি ঘুরে দেখেন। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন। এছাড়াও সংসদের বাদল অধিবেশনে ভাঙনের বিষয়টি উত্থাপন করবেন বলে জানান।

Advertisement

এ প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, বেশ কিছুটা এলাকা জুড়ে ভাঙন হয়েছে। এলাকাটিতে যাতে ভাঙন আরও বড় আকার ধারণ করতে না পারে সেজন্য আপাতত বোল্ডার বা বালির বস্তা ফেলে তা রোধের চেষ্টা করা হবে। এবিষয়ে আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি লিখব ও সংসদের বাদল অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থার দাবি জানাব।
জানা গিয়েছে, সূতি ২ ব্লকের লক্ষীপুর পঞ্চায়েতের শ্যামপুরে আচমকাই ভাঙন শুরু হয়। প্রায় সন্ধ্যা পর্যন্ত বেশ কয়েকমিটার এলাকা নদীতে তলিয়ে যায়। জলস্তর থেকে নদীর পাড় প্রায় বিশ ফুট উচ্চতা।  উঁচু পাড় ভেঙে নদীত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন এলাকার পার্শ্ববর্তী হাসানপুর গ্রাম। যদিও পাশাপাশি দু'টি গ্রামের আশেপাশে কোনও বসতবাড়ি নেই। ভাঙন এলাকাটি ফাঁকা ও কিছুটা অংশ ঝোপজঙ্গলে ঘেরা। গত বছর বর্ষার মরশুমেও পাশ্ববর্তী এলাকাতেও ভাঙন হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০মিটার এলাকা নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। এবছরও ভাঙন হওয়ায় স্বভাবতই আতঙ্কিত এলাকাবাসী। এলাকাবাসী চাইছেন, যত শীঘ্রই সম্ভব নদীর পাড় বাঁধার কাজ শুরু করুক প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দা আনারুল শেখ বলেন, গতবছর থেকে এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। সেই সময় কিছুটা এলাকা জুড়ে ভাঙন হওয়ার পর আর সেভাবে ভাঙেনি। তবে এবার যেভাবে অনেকটা এলাকা নিয়ে ভেঙেছে তাতে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। নদীর পাড় বাঁধানোর ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।
প্রসঙ্গত, প্রায় বিশ বছর পূর্বে ও লক্ষ্মীপুরে ভাঙন দেখা দেয়। বেশ কয়েক মিটার এলাকা তলিয়ে যায়। তারপর বিগত কয়েক বছর ধরে আর ভাঙন হয়নি। তবে গতবছর থেকে বর্ষার মরশুমে এলাকায় ভাঙন শুরু হওয়ায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। সূতি ২ব্লকের বিডিও হুমায়ুন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়েই বুধবার বিকেলে সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এলাকাটি পরিদর্শন করেছি। সেচ দপ্তর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।  ভাঙন পরিদর্শনে সাংসদ খলিলুর রহমান। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ