রূপে লক্ষ্মী
  • ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

কথায় আছে লক্ষ্মীমন্ত সাজ। রাত পোহালেই ঘরে ঘরে লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে উঠবে বাঙালি। খিচুড়ি, নারকেল নাড়ু সহ পঞ্চব্যঞ্জনে ভোগ সাজিয়ে দেওয়া হবে প্রতিমাকে। লক্ষ্মীর পাঁচালি পড়ে মায়ের আবাহন হবে। তাই পুজোয় বসার আগে সাজও হতে হবে লক্ষ্মীমন্ত। সে কারণে চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশনেও রয়েছে ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজোর সাজ। অভিনেত্রী সাইনা চট্টোপাধ্যায় পরেছেন লাল রঙের শাড়ি। সারা জমিতে ছোটো ছোটো হলুদ ফুল। আঁচলেও ভরাট সুতোর কাজ। অফ হোয়াইট ডিজাইনার ব্লাউজ এবং ভারী গয়নায় সেজেছেন তিনি। পুজোর দিন বাড়িতে বেশ কিছু কাজ সামলাতে হয়। তাই এই ধরনের হালকা শাড়ি পরুন। আরামদায়ক ফ্যাব্রিকে সারাদিন পুজোর কাজ করতে পারবেন। সাইনার বাড়িতে দুর্গাপুজো হয়। সব দায়িত্ব সামলান তাঁর মা। সাইনার বাবা প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এই পুজো শুরু করেছিলেন। সেই পরম্পরা এখনও বহমান। পাশাপাশি তাঁর বাড়িতে লক্ষ্মীপুজোও হয়। এমনিতে সদ্য স্কুলের গণ্ডি পেরনো সাইনা প্রয়োজনে শাড়ি পরেন। শ্যুটিংয়েও তাঁকে শাড়ি পরতে হয়। বাকি সময়টা ওয়েস্টার্ন আউটফিট পছন্দ করেন। তাই সামলানো সহজ, এমন ফ্যাব্রিকই তাঁর পছন্দ। অন্যদিকে অভিনেত্রী নবনীতা মালাকারের পরনে একটি অফ হোয়াইট ডিজাইনার শাড়ি। লাল ডিজাইনার ব্লাউজ যেন স্নিগ্ধ লুক তৈরি করেছে। টানা নথ এই ধরনের সাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। শাঁখা, পলা, ভারী গয়নায় লক্ষ্মীপুজোর দিন সাজেন বাড়ির গিন্নিরা। সেই ধরনের লুক তৈরি করেছেন নবনীতা। বহু বাড়িতে লক্ষ্মীপুজোয় অতিথি সমাগম হয়। তাঁদের আপ্যায়নের জন্য এমন আটপৌরে করে শাড়ির লুক তৈরি করুন। যে ধরনের পোশাকই পরুন তা যেন আরামদায়ক হয়। আপনার ব্যক্তিত্বকে আরও ফুটিয়ে তোলে, এমন পোশাক বেছে নিতে হবে। তবেই তা মানানসই। সর্বোপরি সুন্দরভাবে ক্যারি করতে জানতে হবে। ঘরে ঘরে বসত করুক লক্ষ্মী প্রতিমা। বাংলার প্রতিটি মেয়ে সেজে উঠুক লক্ষ্মীমন্ত সাজে। 

Advertisement

মডেল: সাইনা চট্টোপাধ্যায়
প্রসাধন: শিউলি মাইতি
কেশসজ্জা: পিকু মণ্ডল
ছবি: সুমন পাল
শাড়ি: ফেমে বাই রুকমা রায়
গয়না: ব্লেসিং ডিজাইনার হাউস
যোগাযোগ: ৭৯৮০৯০৭২০৮
আয়োজক: মধুরিসা শীল