নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: বৃহস্পতিবারই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তারপরই নড়েচড়ে বসল পুলিস। ওইদিন রাতেই আরামবাগে বেআইনি বালি পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় পুলিস। তার জেরে বেআইনি ও ওভারলোডিং বালি বোঝাই দু’টি ডাম্পার ও একটি লরি আটক করে আরামবাগ থানার পুলিস। আরামবাগের পল্লীশ্রী এলাকায় চেকিং করার সময় ডাম্পার ও লরিগুলিকে আটক করা হয়। পরে ডাম্পারগুলির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে আরামবাগে পরিবহণ দপ্তরে চিঠি পাঠায় পুলিস। এছাড়া ওভারলোডিং বালি নিয়ে লরিগুলি যাওয়ায় রাস্তার বিভিন্ন অংশ বেহাল হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
Advertisement
আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী বলেন, তিনটি বেআইনি বালি বোঝাই লরি আটক করা হয়েছে। বেআইনি বালি পরিবহণের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চলবে।
পুলিস জানিয়েছে, বাঁকুড়ার জয়পুর থানা এলাকা থেকে ওই দু’টি ডাম্পার ও লরি বালি বোঝাই করে আসছিল। পুলিসের দাবি, লরিতে ওভারলোডিং বালি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এছাড়া ডাম্পারের চালকরা বালি নিয়ে যাওয়ার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। তাই বালি বোঝাই লরি ও ডাম্পারগুলি আটক করা হয়েছে। আরামবাগে পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, নির্দিষ্ট নিয়মে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হবে। আর বালির চালানের বিষয়টি ভূমিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই মুখ্যমন্ত্রী পুলিসকে ধমক দেন। একশ্রেণির পুলিস কর্মীর বিরুদ্ধে বালি থেকে টাকা তোলার বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। তারজন্য তিনি বেআইনি বালি খাদানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির পরই পুলিস নড়েচড়ে বসেছে। যদিও পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বেআইনি বালি পরিবহণের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। তাতে বালির লরি আটক করাও হয়েছে। বেশিরভাগ লরিই অন্য জেলা থেকে বালি নিয়ে আরামবাগ দিয়ে চলাচল করে।
ভূমিদপ্তরের আরামবাগ মহকুমার এক আধিকারিক বলেন, বর্তমানে আরামবাগ মহকুমায় কোথাও নদী থেকে বালি তোলার অনুমতি নেই। ফলে বৈধ ঘাট কোথাও নেই। বেআইনিভাবে কোথাও বালি উত্তোলনের অভিযোগও আমাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ এলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-প্রতীকী চিত্র
পুলিস জানিয়েছে, বাঁকুড়ার জয়পুর থানা এলাকা থেকে ওই দু’টি ডাম্পার ও লরি বালি বোঝাই করে আসছিল। পুলিসের দাবি, লরিতে ওভারলোডিং বালি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এছাড়া ডাম্পারের চালকরা বালি নিয়ে যাওয়ার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। তাই বালি বোঝাই লরি ও ডাম্পারগুলি আটক করা হয়েছে। আরামবাগে পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, নির্দিষ্ট নিয়মে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হবে। আর বালির চালানের বিষয়টি ভূমিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই মুখ্যমন্ত্রী পুলিসকে ধমক দেন। একশ্রেণির পুলিস কর্মীর বিরুদ্ধে বালি থেকে টাকা তোলার বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। তারজন্য তিনি বেআইনি বালি খাদানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির পরই পুলিস নড়েচড়ে বসেছে। যদিও পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, বেআইনি বালি পরিবহণের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। তাতে বালির লরি আটক করাও হয়েছে। বেশিরভাগ লরিই অন্য জেলা থেকে বালি নিয়ে আরামবাগ দিয়ে চলাচল করে।
ভূমিদপ্তরের আরামবাগ মহকুমার এক আধিকারিক বলেন, বর্তমানে আরামবাগ মহকুমায় কোথাও নদী থেকে বালি তোলার অনুমতি নেই। ফলে বৈধ ঘাট কোথাও নেই। বেআইনিভাবে কোথাও বালি উত্তোলনের অভিযোগও আমাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ এলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-প্রতীকী চিত্র



