সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: গত ৩ অক্টোবর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়েছে। তারপর থেকে বেশকিছু কেন্দ্রে তালা ঝুলে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মেখলিগঞ্জ ব্লকে নতুন করে ১৩৫টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারি অনুমোদন মিলেছে। চাকরির ইস্যুতে জমিদাতাদের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে এবার নতুন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র নির্মাণের ক্ষেত্রে নয়া সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে প্রশাসন। কারও দান করা জমিতে নয়, এবার থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য বেছে নেওয়া হবে খাস জমি। কারণ সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন জমিতে কেন্দ্র তৈরি হলে ভবিষ্যতে চাকরির জন্য কেউ দাবিদার থাকবে না। ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকা খাস জমি খুঁজতে শুরু করেছে প্রশাসন। সম্প্রতি জমি নির্বাচনের বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে একটি সভাও হয়েছে।
Advertisement
জমি দিয়েও চাকরি না মেলায় ব্লকজুড়ে আন্দোলনে নেমেছেন জমিদাতারা। বেশকিছু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দরজায় ঝুলছে তালা। ফলে স্বাভাবিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পরিকাঠামো গড়ার জন্য জমি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে চাইছে প্রশাসন।
মেখলিগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মিনুরা খাতুন শুক্রবার বলেন, খাস জমির খোঁজ চলছে। উছললপুকুরি গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৩টি সহ গোটা ব্লকে মোট ১৩৫টি নতুন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য ১২-১৪ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ হয়েছে।
মেখলিগঞ্জ ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক সুজন রায় জানিয়েছেন, প্রশাসনের নির্দেশ অনুসারে খাস জমি চিহ্নিতকরণের প্রক্রিয়া চলছে। সিডিপিও জগদীশ রায় বলেন, পরিকাঠামো গড়ার কাজ প্রশাসনের। তাই এই বিষয়ে বলার মতো কিছু নেই।
পর্যাপ্ত কর্মী ও সহায়িকার অভাবে বাকি ১৩৫টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধই রয়েছে। মেখলিগঞ্জের সিডিপিও বলেন, এই মুহূর্তে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী পদে ১৫৬ এবং সহায়িকা পদে ১৯৮টি শূন্যপদ রয়েছে। পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে ব্লকের ১৩৫টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। কর্মী ও সহায়িকা নিযুক্ত হলে সেগুলিও চালু হয়ে যাবে।
মেখলিগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মিনুরা খাতুন শুক্রবার বলেন, খাস জমির খোঁজ চলছে। উছললপুকুরি গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৩টি সহ গোটা ব্লকে মোট ১৩৫টি নতুন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য ১২-১৪ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ হয়েছে।
মেখলিগঞ্জ ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক সুজন রায় জানিয়েছেন, প্রশাসনের নির্দেশ অনুসারে খাস জমি চিহ্নিতকরণের প্রক্রিয়া চলছে। সিডিপিও জগদীশ রায় বলেন, পরিকাঠামো গড়ার কাজ প্রশাসনের। তাই এই বিষয়ে বলার মতো কিছু নেই।
পর্যাপ্ত কর্মী ও সহায়িকার অভাবে বাকি ১৩৫টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধই রয়েছে। মেখলিগঞ্জের সিডিপিও বলেন, এই মুহূর্তে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী পদে ১৫৬ এবং সহায়িকা পদে ১৯৮টি শূন্যপদ রয়েছে। পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে ব্লকের ১৩৫টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। কর্মী ও সহায়িকা নিযুক্ত হলে সেগুলিও চালু হয়ে যাবে।



