Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভুয়ো নথি দিয়ে ডাক বিভাগের চাকরিতে আবেদন

ভুয়ো মার্কশিট ও সার্টিফিকেট জমা দিয়ে অ্যাসিসট্যান্ট ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার পদে আবেদনের অভিযোগ উঠল এক তরুণীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট সাব ডিভিশনাল পোস্ট অফিসে।

ভুয়ো নথি দিয়ে ডাক বিভাগের চাকরিতে আবেদন
  • ৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভুয়ো মার্কশিট ও সার্টিফিকেট জমা দিয়ে অ্যাসিসট্যান্ট ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার পদে আবেদনের অভিযোগ উঠল এক তরুণীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট সাব ডিভিশনাল পোস্ট অফিসে। ডাক বিভাগের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ভুয়ো মার্কশিট ও সার্টিফিকেট তৈরির চক্রের খোঁজ পাচ্ছে বসিরহাট থানা। বিভিন্ন সরকারি পরীক্ষায় বসার জন্য মোটা টাকা দিয়ে এই সার্টিফিকেট কেনা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

Advertisement

বসিরহাটের আটাপুর ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসে অ্যাসিসট্যান্ট ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার পদে লোক নিয়োগের জন্য অনলাইনে বিজ্ঞাপন বেরয় জুলাই মাসে। সেটি দেখে আবেদন করেন সন্দেশখালির বাসিন্দা কৃষ্ণা মণ্ডল। সেখানে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক সহ বিভিন্ন পরীক্ষার মার্কশিট ও সার্টিফিকেট জমা দেন। লিখিত ও ইন্টারভিউ পরীক্ষায় পাশও করেন ওই তরুণী। কিন্তু তাঁর জমা দেওয়া সার্টিফিকেট দেখে সন্দেহ হয় ডাক বিভাগের আধিকারিকদের। মার্কশিটে উল্লেখ ছিল, তরুণী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওপেন স্কুলিং থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছেন। ওই মার্কশিট ও সার্টিফিকেট যাচাই করার জন্য 
সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। তারা পরীক্ষা করে জানিয়ে দেয়, ওই পরীক্ষার্থীর জমা দেওয়া মার্কশিট ও সার্টিফিকেট জাল। তিনি যে রোল নম্বরের কথা বলেছেন তার কোনও অস্তিত্বই নেই। এরপরই ডাক বিভাগের তরফে ২৯ জুলাই অভিযোগ করা হয় বসিরহাট থানায়। তার ভিত্তিতে পুলিস জালিয়াতি, প্রতারণা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে।
তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারে, সীমান্ত লগোয়া এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওপেন স্কুলিং সহ বিভিন্ন বোর্ডের ভুয়ো সার্টিফিকেট তৈরি হচ্ছে। যে কোনও বছরের মার্কশিট ও সার্টিফিকেট মিলবে। পনেরো থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে এগুলি। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসার জন্য পরীক্ষার্থীরা সেগুলি কিনছে মোটা টাকা দিয়ে। ডাক সেবক পদের জন্য আবেদন করা পরীক্ষার্থীও এই চক্রের কাছ থেকে সার্টিফিকেট কিনছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। তিনি কার কাছ থেকে এগুলি কিনেছিলেন জানতে তাঁকে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তদন্তকারীরা। উত্তর সন্তোষজনক না হলে সেক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।    

সম্পর্কিত সংবাদ