সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: দীর্ঘদিন দাবি জানিয়েও হয়নি পাকা রাস্তা। কাঁচা রাস্তায় যাতায়াতে সমস্যায় গ্রামবাসীরা। সামান্য বৃষ্টি হলে হেঁটেও যাতায়াত করা যায় না বলে অভিযোগ। এতে অনেকদিন ধরে ক্ষোভ জমছিল হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের কালীতলা মোবারকপুরের বাসিন্দাদের মধ্যে। শনিবার পাকা রাস্তার দাবিতে অবরোধে শামিল হলেন তাঁরা। খবর পেয়ে পঞ্চায়েত প্রধান এলাকায় পৌঁছলে তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান হয়। প্রধানকে কাদায় হাঁটতে বাধ্য করেন বিক্ষোভকারীরা। মোবারকপুরবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়ে দ্রুত রাস্তা তৈরির আশ্বাস দেন পঞ্চায়েত প্রধান রাজীব খান।
স্থানীয়দের দাবি, কালীতলা মোবারকপুর ও টেংরিয়াপাড়া এলাকায় ১ কিমির বেশি রাস্তা বহু বছর ধরে বেহাল। সামান্য বৃষ্টি হলে কাদায় ভরে যায়। রাস্তার বেশিরভাগ অংশে গর্ত। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়।
স্থানীয় বাসিন্দা শেখ আলিম, এনামুল হক বলেন, কয়েক বছর আগে পঞ্চায়েত থেকে কিছুটা রাস্তা হলেও ১ কিমির বেশি রাস্তা এখনও হয়নি। বেহাল রাস্তার জন্য গ্রামে দমকলের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারে না। বাইক ও টোটো উল্টে যায়। ছ’মাস আগে টোটো উল্টে একজনের মৃত্যু হয়। স্থানীয় সাদ্দাম হোসেনের কথায়, ভোটের সময় নেতারা প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তাদের আর কোনও খোঁজ মেলে না।
পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা নিকুঞ্জ সাহা বলেন, জোটের পঞ্চায়েত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের এলাকায় কাজ করতে চান না। এলাকাবাসীর এই ন্যায্য দাবিকে সমর্থন করি। তবে পঞ্চায়েত প্রধান রাজীব খান বলেন, আমার কাছে এর আগে এবিষয়ে কেউ আবেদন জানাননি। বিষয়টি বিডিওকে জানিয়েছি। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এতো বড় রাস্তার কাজ করা সম্ভব নয়। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। রাস্তা পাকা করতে একটু সময় লাগবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাস্তার গর্ত ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে। প্রধানকে ঘিরে বিক্ষোভ।- নিজস্ব চিত্র