সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: আমোদপুর-কাটোয়া রেল রুটে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার লাভপুরের অতিরিক্ত স্টেশন ম্যানেজারকে স্মারকলিপি জমা দিলেন স্থানীয়রা। আমোদপুর-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে এই দাবি জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী, রেলমন্ত্রী সহ রেলওয়ে জেনারেল ম্যানেজারের উদ্দেশে।
Advertisement
১৯১৭ সালে ৫২ কিমি লম্বা আহমদপুর-কাটোয়া পথে ন্যারোগেজ রেললাইন বসানো হয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ন্যারোগেজ লাইনটি ব্রডগেজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০১৩ সালে সেই কাজ শুরু হয়। প্রায় পাঁচ বছর পর ২০১৮ সালে ব্রডগেজ লাইনে ট্রেন যাতায়াত শুরু হয়। কিন্তু দিনে মাত্র একটি ট্রেন চলাচল করে এই পথে। তাই এ রুটে রেল পরিষেবা থাকলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা আগের মতোই অনুন্নত থেকে গিয়েছে বলে অভিযোগ। এই রেললাইনে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন স্থানীয়রা। এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে আরটিআই করার পর জানা যায়, ৪১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই ব্রডগেজ লাইন। পাশাপাশি এই রুটে একাধিক ট্রেন চালানোর ক্ষেত্রে রেল দপ্তরের কোনও অসুবিধা নেই তাও জানানো হয়। কিন্তু তবুও কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়নি। এদিন ফের পুরনো দাবি নিয়ে স্টেশন ম্যানেজার সহ রেল দপ্তরকে স্মারকলিপি জমা দিল আমোদপুর-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন।
রাহুল মণ্ডল, সুবীর সেন, হিমাদ্রি ঘোষ, গোপাল দাস, বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম হাটি বলেন, কলকাতায় যেতে এই এলাকার ও এই রুটের বাসিন্দাদের প্রচণ্ড সমস্যায় পড়তে হয়। রাত তিনটে থেকে প্রস্তুতি নিতে হয়। আমাদের দাবি, এই রুটে ছয় জোড়া লোকাল ট্রেন চালাতে হবে।
রাহুল মণ্ডল, সুবীর সেন, হিমাদ্রি ঘোষ, গোপাল দাস, বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম হাটি বলেন, কলকাতায় যেতে এই এলাকার ও এই রুটের বাসিন্দাদের প্রচণ্ড সমস্যায় পড়তে হয়। রাত তিনটে থেকে প্রস্তুতি নিতে হয়। আমাদের দাবি, এই রুটে ছয় জোড়া লোকাল ট্রেন চালাতে হবে।



