সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: বর্তমানে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু শূন্য আলিপুরদুয়ার শহর। অর্থাৎ ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গুর কোনও কেস নেই। তারপরেও পুরসভা ঝুঁকি নিতে নারাজ। সোমবার থেকে শহরের ২০টি ওয়ার্ডে ভেক্টরবর্ন ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল বিভাগ বাড়ি বাড়ি ডেঙ্গু চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সমীক্ষার কাজ শুরু করল। প্রতিমাসে চার-পাঁচ বার করে এই সমীক্ষার কাজ হবে। চলবে নভেম্বর মাস পর্যন্ত।
পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে শহরে ডেঙ্গুর কোনও কেস নেই। আমরা তবুও ঝুঁকি নিতে নারাজ। তাই সোমবার থেকে ডেঙ্গু চিহ্নিত ও ডেঙ্গুর বাহক মশার লার্ভা নষ্ট করার জন্য বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার কাজ শুরু করা হয়েছে। যা চলবে আগামী নভেম্বর পর্যন্ত।
এই সমীক্ষার জন্য পুরসভার ৫৩টি টিম বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু করেছে। প্রতিটি টিমে দু’জন করে মোট ১০৬ জন ভলান্টিয়ার আছেন। সুডা থেকে পাওয়া অর্থ ভলান্টিয়ারদের সাম্মানিক হিসেবে দেওয়া হবে। টিমের সদস্যরা বাড়ির ভিতরে ঢুকে আনাচে-কানাচে জমা জল চিহ্নিত করবেন। বাড়ির পরিত্যক্ত ভাঙাপাত্র, কাপ, ফুলের টব, টায়ার, সুপারির খোল প্রভৃতিতে জমা জল দেখলে তা ফেলে দেবেন। বাড়ির আশেপাশে জমা জল থাকলে তার রিপোর্ট দেবেন পুরসভার ভেক্টর কন্ট্রোল টিমকে বা ভিসিটি’কে। ভলান্টিয়ার টিমের রিপোর্ট পাওয়ার পর সেখানে যাবেন ভিসিটির সদস্যরা। ডেঙ্গুর বাহক মশা এডিস এজিপ্টি এবং এডিস অ্যালবোপিকটাসের লার্ভা পাওয়া গেলে তা নষ্ট করতে স্প্রে করবে ভেক্টরবর্ন ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল টিম।
পুরসভার ভেক্টরবর্ন ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল টিমের নোডাল অফিসার বিমলেন্দু তালুকদার বলেন, চলতি মাসে দু’বার শহরে ডেঙ্গুর এই সমীক্ষা হবে। কিন্তু পরের মাস থেকে কোনও মাসে চার বার, কোনও মাসে পাঁচ বার করেও সমীক্ষা হবে। আমরা শহরকে ডেঙ্গু মুক্ত রাখতে চাই। সেই লক্ষ্যেই আমরা ঝাঁপিয়েছি।
নিজস্ব চিত্র।