নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আইএফএ শিল্ডের ব্যর্থতা ভুলতে মরিয়া ইস্ট বেঙ্গল। হাবাস ব্রিগেডের যাবতীয় ফোকাসে এখন এসিএল টু’য়ে। আগামী মঙ্গলবার যুবভারতীতে ইরাকের আল শোর্তার বিরুদ্ধে নামবেন রশিদ, রামিরেজরা। তার আগে এদিন রাজারহাটের সেন্টার অব এক্সেলেন্সে অনুশীলন সারলেন ফুটবলাররা। দুই বিদেশি একে লোবা ও লুকাসকে দলের সঙ্গে ফিট করাই স্প্যানিশ কোচের আসল পরীক্ষা। শিল্ড ফাইনালে মোহন বাগানের কাছে পরাস্ত হয় হাবাস বাহিনী। ছন্নছাড়া ফুটবল দেখে বিরক্ত সমর্থকরা। মাঝমাঠেও বাঁধুনিও একেবারে আলগা। ফলে মিডল করিডরে সেভাবে দানা বাঁধেনি খেলা। অভিজ্ঞ হাবাস কীভাবে ড্যামেজ কনট্রোল করেন সেটাই দেখার।
ইরাকের শোর্তা এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে। প্রথম ম্যাচে ওমানের আল সিবকে বশ মানায় তারা। ইরাকের জাতীয় দলের গোলরক্ষক জালাল হাসান অন্যতম তারকা। গত বিশ্বকাপে নরওয়ে ও সেনেগালের বিরুদ্ধে খেলেছেন তিনি। পাশাপাশি ৭ বিদেশি ফুটবলার নিয়েই কলকাতায় এসেছে তারা। আর্জেন্তিনার স্ট্রাইকার বার্কো ইরাক লিগে বেশ নজর কেড়েছেন। ভেনেজুয়েলা, সেনেগাল, কলম্বিয়ার ফুটবলারও রয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় যুবভারতীর প্র্যাকটিস মাঠে প্রস্তুতি সারে আল শোর্তা। ক্লোজড ডোর অনুশীলনে নিজেদের কার্যত লুকিয়ে রাখল টিম ম্যানেজমেন্ট। ইরাকের এই দলটি জমিতে বল রেখে দ্রুত পাস খেলতে অভ্যস্ত। দুই উইংও বেশ শক্তিশালী। অন্যদিকে, দুই উইং ব্যাক নিয়ে ক্রমশই চিন্তা বাড়ছে ইস্ট বেঙ্গলের। শোর্তার বিরুদ্ধে দুর্গ অটুট রাখতে হলে সেখানে প্যাচ ওয়ার্ক করা জরুরি। এদিকে, কলকাতায় পা রাখার পর প্রবল সমস্যায় ইরাকের দলটি। বিমানবন্দরে খোয়া গিয়েছে বেশ কিছু লাগেজ। তাতে রয়েছে ফুটবলারদের জার্সি ও সরঞ্জাম। দ্রুত খোয়া যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করতে মরিয়া বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, রবিবার সিকিম গর্ভনর্স গোল্ড কাপে নামছে লাল-হলুদের রিজার্ভ দল। প্রতিপক্ষ সিকিমের স্থানীয় দল আক্রমণ এফসি।



