সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার ও দিনহাটা: আজ, শনিবার রাজ্যের ছয় বিধানসভার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের মাদারিহাট ও সিতাই উপ নির্বাচনেরও ভোট গণনা। মাদারিহাটের গণনা হচ্ছে আলিপুরদুয়ার ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। অন্যদিকে, সিতাইয়ের গণনা হচ্ছে দিনহাটা কলেজে। সকাল ৮টায় শুরু হবে গণনা। তাই ২৪ ঘণ্টা আগে শুক্রবার ছিল প্রশাসনিক মহলে চূড়ান্ত ব্যস্ততা।
Advertisement
মাদারিহাট বিধানসভা উপ নির্বাচনের ভোট গণনা হবে নয় রাউন্ডে। মোট ২৮টি টেবিলে গণনার কাজে ২০০ জন ভোটকর্মী থাকছেন। আলিপুরদুয়ার জেলা নির্বাচন ওসি শুভ্র নন্দী বলেন, সকাল ৮টা থেকে গণনা শুরু হবে। মাদারিহাট বিধানসভার ২২৬টি বুথের গণনা হবে মোট নয় রাউন্ডে। তারজন্য আলিপুরদুয়ার ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সিতাইতে ১২ রাউন্ডে ভোটের গণনা হবে। এজন্য ২৫টি টেবিল থাকছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এখানে ১৪টি টেবিল ছিল। এবার প্রায় দ্বিগুণ টেবিল করা হয়েছে। গণনার জন্য তাই প্রতি প্রার্থীর অন্তত ২৯ জন এজেন্ট প্রয়োজন হবে।
টেবিল সংখ্যা বেশি করার কারণই হল দ্রুত গণনা সম্পন্ন করা। রাজনৈতিক দলের নেতারা আশা করছেন, সকাল ১১টার মধ্যেই ফল প্রকাশ হয়ে যাবে। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত মাদারিহাটে ঘাসফুল ফোটাতে পারেনি। এগারো সালে মাদারিহাটে জিতেছিল আরএসপি।
২০১৬ সাল থেকে মাদারিহাটে টানা জিতে চলেছে বিজেপি। সেই দিক থেকে এবার মাদারিহাটের এই উপনির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ। বিজেপির গড় মাদারিহাটে জোড়াফুল ফোটে কি না, আজ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
তৃণমূল প্রার্থী জয়প্রকাশ টোপ্পো বলেন, আমরা জেতার বিষয়ে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। কারণ সাড়ে আট বছরে এখানকার বিজেপি বিধায়ক কোনও উন্নয়ন করতে পারেননি। তাই মানুষ এবার বদল চাইছে। সেই আভাস এবার আমরা পেয়েছি মানুষের মধ্যে। অন্যদিকে, মাদারিহাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাহুল লোহার বলেন, এই উপ নির্বাচনেও আমরা জিতব। কারণ এখানকার মানুষ বরাবর বিজেপির উপর আস্থা রেখে আসছে।
অন্যদিকে, কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেন, আশা করছি, সকাল ১১টার মধ্যেই সম্পূর্ণ ফল প্রকাশ হয়ে যাবে। কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।
বিজেপি প্রার্থী দীপককুমার রায় বলেন, মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করেছে। আশা করছি, বিজেপির পক্ষেই রায় যাবে।
সিতাইতে ১২ রাউন্ডে ভোটের গণনা হবে। এজন্য ২৫টি টেবিল থাকছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এখানে ১৪টি টেবিল ছিল। এবার প্রায় দ্বিগুণ টেবিল করা হয়েছে। গণনার জন্য তাই প্রতি প্রার্থীর অন্তত ২৯ জন এজেন্ট প্রয়োজন হবে।
টেবিল সংখ্যা বেশি করার কারণই হল দ্রুত গণনা সম্পন্ন করা। রাজনৈতিক দলের নেতারা আশা করছেন, সকাল ১১টার মধ্যেই ফল প্রকাশ হয়ে যাবে। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত মাদারিহাটে ঘাসফুল ফোটাতে পারেনি। এগারো সালে মাদারিহাটে জিতেছিল আরএসপি।
২০১৬ সাল থেকে মাদারিহাটে টানা জিতে চলেছে বিজেপি। সেই দিক থেকে এবার মাদারিহাটের এই উপনির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ। বিজেপির গড় মাদারিহাটে জোড়াফুল ফোটে কি না, আজ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
তৃণমূল প্রার্থী জয়প্রকাশ টোপ্পো বলেন, আমরা জেতার বিষয়ে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। কারণ সাড়ে আট বছরে এখানকার বিজেপি বিধায়ক কোনও উন্নয়ন করতে পারেননি। তাই মানুষ এবার বদল চাইছে। সেই আভাস এবার আমরা পেয়েছি মানুষের মধ্যে। অন্যদিকে, মাদারিহাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাহুল লোহার বলেন, এই উপ নির্বাচনেও আমরা জিতব। কারণ এখানকার মানুষ বরাবর বিজেপির উপর আস্থা রেখে আসছে।
অন্যদিকে, কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেন, আশা করছি, সকাল ১১টার মধ্যেই সম্পূর্ণ ফল প্রকাশ হয়ে যাবে। কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে।
বিজেপি প্রার্থী দীপককুমার রায় বলেন, মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করেছে। আশা করছি, বিজেপির পক্ষেই রায় যাবে।



