সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে আলু ও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মেয়রের ডাকে সাড়া দিলেন ব্যবসায়ীরা। রবিবার থেকে শিলিগুড়িতে খুচরো বাজারে ৩২ টাকা কেজি দরে জ্যোতি আলু ও ৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ পাওয়া যাবে। শিলিগুড়ি সহ গোটা রাজ্যে আলুর দাম চড়চড়িয়ে বাড়ছে। একই অবস্থা পেঁয়াজের। ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে আলু কিনতে গিয়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। পেঁয়াজের দাম ৭০ টাকা কেজি। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য শনিবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব।
Advertisement
পুরসভায় এই বৈঠকে শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক অবধ সিংহাল সহ পুলিস, এনফোর্সমেন্ট, রেগুলেটেড মার্কেট, কৃষি বিপণন দপ্তরের প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ীরাও উপস্থিত ছিলেন। মেয়র গৌতম দেব বলেন, হোলসেল বাজারে দাম বেশি হওয়ার কারণে খুচরো বাজারে আলুর দাম বাড়ছে। তবে নতুন আলু কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে আসতে শুরু করবে। তখন দাম অনেকটাই কমবে। তার আগে শহরে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে থাকার ব্যাপারে এদিন ব্যবসায়ীরা আশ্বাস দিয়েছেন। রবিবার থেকে শিলিগুড়িতে জ্যোতি আলু ৩২ টাকা ও পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে মিলবে।
বৃহত্তর শিলিগুড়ি খুচরো ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি পরিমল মিত্র বলেন, হোলসেল বাজারে আলুর দাম বেশি থাকার কারণে খুচরো বাজারে দাম বেড়েছে। হোলসেল ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, আলুর জোগান কম। সে কারণেই দাম বাড়াতে তাঁরা বাধ্য হয়েছেন। হোলসেল বাজারে এদিন জ্যোতি আলুর দাম ছিল ২৮ টাকা কেজি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এদিনের বৈঠকে মহকুমা শাসক খুচরো ব্যবসায়ীদের ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে বলেন। শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা ৩২ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে রাজি হন।
পরিমল বাবু বলেন, হোলসেল মার্কেট থেকে বস্তা ধরে আলু কিনে আনার পর খুচরো ব্যবসায়ীরা যখন বিক্রি করতে যান তখন বস্তার মধ্যে অনেক আলু খারাপ থাকে। সেই ক্ষতির পাশাপাশি পরিবহণ খরচের বিষয়টিও রয়েছে। এসব মিলিয়ে খুচরো ব্যবসায়ীরা ৩২ টাকা কেজি দরে আলু এবং ৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ রবিবার থেকে বিক্রি করবেন।
বৃহত্তর শিলিগুড়ি খুচরো ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি পরিমল মিত্র বলেন, হোলসেল বাজারে আলুর দাম বেশি থাকার কারণে খুচরো বাজারে দাম বেড়েছে। হোলসেল ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, আলুর জোগান কম। সে কারণেই দাম বাড়াতে তাঁরা বাধ্য হয়েছেন। হোলসেল বাজারে এদিন জ্যোতি আলুর দাম ছিল ২৮ টাকা কেজি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এদিনের বৈঠকে মহকুমা শাসক খুচরো ব্যবসায়ীদের ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে বলেন। শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা ৩২ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে রাজি হন।
পরিমল বাবু বলেন, হোলসেল মার্কেট থেকে বস্তা ধরে আলু কিনে আনার পর খুচরো ব্যবসায়ীরা যখন বিক্রি করতে যান তখন বস্তার মধ্যে অনেক আলু খারাপ থাকে। সেই ক্ষতির পাশাপাশি পরিবহণ খরচের বিষয়টিও রয়েছে। এসব মিলিয়ে খুচরো ব্যবসায়ীরা ৩২ টাকা কেজি দরে আলু এবং ৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ রবিবার থেকে বিক্রি করবেন।



