Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আইপিএলের ধাঁচে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিলাম সম্পন্ন

আইপিএলের ধাঁচে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিলাম সম্পন্ন
  • ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, করিমপুর: রীতিমতো আইপিএলের ধাঁচে নিলামে স্থানীয় ক্রিকেটারদের কেনা হল করিমপুরে। বৃহস্পতিবার নিলাম পর্ব ঘিরে ফ্রাঞ্চাইজি দলগুলির মালিকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ২১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে করিমপুর ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ। করিমপুর কিষানমান্ডিতে নিলাম পর্ব শেষ হতেই এই টি-২০ ক্রিকেট নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা দিয়েছে এলাকায়। এদিনের খেলোয়াড় নিলামে অংশ নিয়েছিল প্রিমিয়ার লিগের আয়োজক করিমপুর জামতলা নবারুণ সংঘের সদস্য, করিমপুর-১ ও ২ ব্লকের ১৭০জন খেলোয়াড় এবং দলের মালিকপক্ষ। আয়োজক ক্লাবের সম্পাদক সুজিত বিশ্বাস জানান, স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এলাকার ৬টি দলের মালিকরা এদিন নিলামে তাঁদের পছন্দ মতো খেলোয়াড় কিনেছেন। প্রত্যেক দলে মোট ১৪ জন করে এদিন মোট ৮৪ জন খেলোয়াড়ের নিলাম হয়েছে। প্রতি দলের আর্থিক বাজেট পাঁচ হাজার টাকা। 
Advertisement
লিগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, আইপিএলের পদ্ধতিতেই খেলা পরিচালনা করা হবে। আইপিএলে দেশ-বিদেশের খেলোয়াড়দের যেমন টাকার বিনিময়ে কেনা হয়। একইভাবে এখানেও টাকার বদলে নিলাম করে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে যে কোনও দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের সর্বনিম্ম দাম ছিল ২০০ টাকা। এদিন একজন খেলোয়াড়ের দাম চড়েছে সর্বাধিক ৯৯০ টাকায়। যে সব খেলোয়াড় বিভিন্ন জেলা ক্রিকেটে দাপিয়ে বেড়ান তাঁদের ‘আইকন প্লেয়ার’ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক দলে ৭০০ টাকা দরে একজন আইকন প্লেয়ার রাখা হয়েছে। এলাকার জুনিয়র ক্রিকেটারদের তুলে আনার জন্য প্রতি দলে তিনজন করে অনূর্ধ্ব ১৯ খেলোয়াড় নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 
আয়োজক সদস্যরা বলেন, ৬টি দলকে দু’টি বিভাগে ভাগ করে লিগ পর্যায়ে তিনটি করে ৬টি খেলা হবে। তারপর দু’টি সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল মিলিয়ে মোট ৯টি খেলা হবে। ২১ ডিসেম্বর প্রথম ম্যাচ এবং ২ জানুয়ারি প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল খেলা হবে। সাদা ডিউস বলে সব খেলাগুলি হবে করিমপুর রেগুলেটেড মার্কেট মাঠে। খেলোয়াড়দের যাতায়াত, খাওয়ার খরচ এবং জার্সি দেবে দলের মালিকপক্ষ। 
একটি দলের মালিক প্রীতম পাল বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচের প্রতি মানুষের ঝোঁক থাকলেও স্থানীয় ক্রিকেটের অবস্থা খুব খারাপ। প্রত্যন্ত গ্রামে লুকিয়ে থাকা অনেক প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি ক্রিকেটের প্রতি সকলের আকর্ষণ বাড়াতে প্রথম এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। অপর একটি দলের মালিক আব্বাস খান বলেন, এই ধরনের টুর্নামেন্ট খেলোয়াড়দের দক্ষতা আর মনোবল বাড়িয়ে তোলে। পাশাপাশি এধরনের খেলার মাধ্যমেই উঠে আসবে আগামী দিনের প্রতিভাধর ক্রিকেটাররা।
 
সম্পর্কিত সংবাদ