নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়ের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা গেল প্রাক্তন বিধায়ক তথা ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সভাপতি গোবিন্দ রায়কে। উপলক্ষ্য রেলের একটি অনুষ্ঠান। বিধানসভা ভোটের মুখে তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে জলপাইগুড়িতে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়ের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা গেল প্রাক্তন বিধায়ক তথা ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সভাপতি গোবিন্দ রায়কে। উপলক্ষ্য রেলের একটি অনুষ্ঠান। বিধানসভা ভোটের মুখে তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে জলপাইগুড়িতে।
করোনার সময় থেকে জলপাইগুড়ির রানিনগরে তিস্তা-তোর্সা এক্সপ্রেস এবং এনজেপি-বঙ্গাইগাও ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের স্টপ তুলে দেওয়া হয়েছিল। তা ফের চালু হল আজ, রবিবার। এই অনুষ্ঠানে এসে জয়ন্ত রায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন গোবিন্দ। যদিও তাঁর দাবি, ‘ফব নেতা হিসেবে নয়, জলপাইগুড়ি নাগরিক মঞ্চের আহ্বায়ক হিসেবে রেলের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। এর সঙ্গে রাজনীতিকে জুড়ে দেওয়া সঠিক হবে না।’
রাজনীতির কারবারিরা অবশ্য বর্ষীয়ান এই বাম নেতার মুখে গেরুয়া সাংসদের প্রশস্তির মধ্যে ‘অন্য’ গন্ধ পাচ্ছেন। উত্তরবঙ্গের রাজনীতির একসময়কার দাপুটে নেতা গোবিন্দ রায়। বিতর্কিতও। ২০০১ সালে ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে জলপাইগুড়ির বিধায়ক হন। কিন্তু ২০০৬ এবং ২০১১ সালেও দল প্রার্থী করলেও ভাগ্যে শিকে ছেঁড়েনি। এমনকী ২০০৯ সালে লোকসভা ভোটে দাঁড়িয়েও হেরে যান। এদিকে, আলু কেনা নিয়ে দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে পড়ে এই বাম নেতার। তা নিয়ে কম হইচই হয়নি। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে জলপাইগুড়ির একাধিক বাম নেতা শিবির বদল করে জোড়া-ফুল অথবা পদ্মে নাম লিখিয়েছেন। বিধানসভা ভোটের আগে কি সেই পথেই পা বাড়াচ্ছেন গোবিন্দ? সময় এর উত্তর দেবে।