Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তিন মাস পর ফালাকাটা শহর থেকে তোলা হচ্ছে নামমাত্র বর্জ্য

অবশেষে তিন মাস পর ফালাকাটা শহরের বর্জ্য সাফাই শুরু হল। ১৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এই অভিযান শুরু হয়। ফান্ডের সমস্যার কারণেই এতদিন শহরের ১৮টি ওয়ার্ডের ৪৯টি বুথ এলাকায় সাফাই কাজ বন্ধ থাকে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে

তিন মাস পর ফালাকাটা শহর থেকে তোলা হচ্ছে নামমাত্র বর্জ্য
  • ১১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ফালাকাটা: অবশেষে তিন মাস পর ফালাকাটা শহরের বর্জ্য সাফাই শুরু হল। ১৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এই অভিযান শুরু হয়। ফান্ডের সমস্যার কারণেই এতদিন শহরের ১৮টি ওয়ার্ডের ৪৯টি বুথ এলাকায় সাফাই কাজ বন্ধ থাকে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। অর্থের সংস্থান হলেও বর্জ্য সাফাইয়ের জন্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর থেকে নতুন করে কোনও টাকা আসেনি পুরসভায়। পুরসভার পুরনো ফান্ড থেকে কিছু টাকা নিয়ে এই কাজ করতে হচ্ছে। যদিও এতে গোটা শহরে সাফাই সম্ভব নয় বলেই কাউন্সিলাররা জানিয়েছেন। পুরসভা রাজ্যে পরিকল্পনা জমা দিতে না পারাতেই বরাদ্দ আসেনি বলে দাবি কাউন্সিলারদের একাংশের। 

Advertisement

যদিও এ বিষয়ে জানতে ফালাকাটা পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ মুহুরিকে এদিন একাধিকবার টেলিফোন করা হলেও রিসিভ করেননি। মেসেজ করা হলেও উত্তর দেননি। 
ফান্ডের অভাবেই ফালাকাটা শহরে বন্ধ জঞ্জাল অপসারণ। অলিগলিতে এখন জঞ্জালের স্তূপ। খোদ পুর চেয়ারম্যানের ওয়ার্ড থেকে অন্য কাউন্সিলারদের ওয়ার্ডে একই ছবি। বিশেষ করে সুভাষপল্লি, সুভাষ কলোনি, হাটখোলা সর্বত্রই বর্জ্যের পাহাড়। রাস্তার দু’ধারে, নর্দমার পাশে জমিয়ে রাখা হয়েছে জঞ্জাল। পুরবাসী চাইছেন, দ্রুত পুরসভা বর্জ্য সরাতে পদক্ষেপ করুক। 
পুরসভা সূত্রেই জানা গিয়েছে, প্রায় তিন মাস আগে জঞ্জাল সাফাই হয়েছিল। তারপর আর সেভাবে শহর থেকে বর্জ্য তোলা হয়নি। কিছু জায়গায় অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে বর্জ্য মাড়িয়েই চলতে হচ্ছে। পচা গন্ধে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে চলা ছাড়া উপায় নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কাউন্সিলার বলেন, কী কারণে টাকা আসছে না চেয়ারম্যানই বলতে পারবেন। তাঁর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে উল্টে তর্ক জুড়ে দেন। বাধ্য হয়ে বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পুরনো ফান্ড থেকে ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে সব ওয়ার্ডে অল্প অল্প সাফাই করা হবে। সেই মতোই ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে সিনেমা হল পাড়ায় সাফাই অভিযান শুরু করা হয়। 
১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অভিজিৎ রায় বলেন, কী কারণে টাকা আসছে না তা জানা নেই। আমার ওয়ার্ডে নামমাত্র বর্জ্য তোলা হয়েছে। ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার মনোজ সাহা বলেন, আমার ওয়ার্ডেও সাফাই করা হবে বলে জেনেছি। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অসীম দেব বলেন, জঞ্জাল সাফাইয়ের জন্য পুরকর্মী পাঠাবেন বলে সম্প্রতি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ