Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কেউটে ও কালাচের পর সুন্দরবনে এখন নয়া ত্রাসের নাম গেছোবোড়া, গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় দিচ্ছে কামড়

সুন্দরবনের জল-জঙ্গলে প্রতি পদেই বিপদ। তার উপর নতুন করে আতঙ্ক ছড়াল গেছোবোড়া। কেউটে, কালাচ বা চন্দ্রবোড়ার বাড়বাড়ন্তের পাশাপাশি গেছোবোড়া বা গ্রিন পিট ভাইপার নিয়ে এখন চিন্তায় গ্রামবাসীরা।

কেউটে ও কালাচের পর সুন্দরবনে এখন নয়া ত্রাসের নাম গেছোবোড়া, গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় দিচ্ছে কামড়
  • ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবনের জল-জঙ্গলে প্রতি পদেই বিপদ। তার উপর নতুন করে আতঙ্ক ছড়াল গেছোবোড়া। কেউটে, কালাচ বা চন্দ্রবোড়ার বাড়বাড়ন্তের পাশাপাশি গেছোবোড়া বা গ্রিন পিট ভাইপার নিয়ে এখন চিন্তায় গ্রামবাসীরা। মাছ বা কাঁকড়া ধরতে যাঁরা জঙ্গলে যান, কিংবা কাঠ বা মধু সংগ্রহের জন্য যাঁরা প্রবেশ করেন, তাঁরাই মূলত আক্রান্ত হচ্ছেন এই সাপের ছোবলে। গত এক মাসে তিনজন গেছোবোড়ার কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। সবুজ রঙের এই সাপ দেখতে খানিকটা লাউডগার মতো, তবে তুলনায় বেশ হৃষ্টপুষ্ট। মাথাটি তিনকোনা। গাছের ডালে পাতার ফাঁকে লুকিয়ে রাখে নিজেকে। নীচে দিয়ে কেউ গেলে আচমকা ছোবল মারে সেটি। তাই তাদের দংশনের দাগ সাধারণত দেখা যায় মানুষের মাথা বা মুখের অংশে। চিকিৎসকদের মতে, এই সাপের কামড়ের বিশেষত্ব হল, যেখানে দাঁত ফোটাবে, সেই অংশ ফুলে উঠবে। দ্রুত চিকিৎসা না করালে ধীরে ধীরে গোটা শরীর ফুলতে শুরু করে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, কুলতলির দু’জন এবং গোসাবার একজন গেছোবোড়ার কামড়ে আহত হয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই জঙ্গলে গিয়েছিলেন কোনও না কোনও কাজে। চিকিৎসার পর এখন তিনজনই সুস্থ রয়েছেন। ক্যানিং হাসপাতালের সর্প বিশেষজ্ঞ সমরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, বহুদিন বাদে এই সাপের আক্রমণে আহত হওয়ার ঘটনা নজরে এসেছে। তাই যাঁরা জঙ্গলে যান, তাঁদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। শুধু নীচে কেউটে, চন্দ্রবোড়া বা কালাচের দিকে নয়, উপরে গাছের ডালপালায় গেছোবোড়ার দিকেও নজর রাখতে হবে। তবে এটা ঠিক, গেছোবোড়ার বিষ ততটা প্রাণঘাতী নয়। অবশ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চিকিৎসা করানো দরকার। এই সাপের দংশনে মৃত্যুর আশঙ্কা কম।

সম্পর্কিত সংবাদ