নয়াদিল্লি: জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনের (ওআইসি) মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করল ভারত। বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করার আগে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ দমনে সুপরামর্শ দিলে ভালো করবে ওআইসি।’ মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বৈঠকে বসেছিল ওআইসির জম্মু ও কাশ্মীর বিষয়ক কন্ট্যাক্ট গ্রুপের সদস্য পাঁচটি রাষ্ট্র— পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, আজারবাইজান এবং নাইজার। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে পাকিস্তানের উপ প্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এরপর ওআইসির পক্ষ থেকে কাশ্মীরের জনগণের স্বাধিকারকে সমর্থন জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। যৌথ ইস্তাহারে উপত্যকার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। তাতেই ক্ষিপ্ত নয়াদিল্লি। এদিন বিষয়টি নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সাফ বলা হয়েছে, ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো নৈতিক অধিকার ওআইসির নেই।’ কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্যকে ‘অনভিপ্রেত এবং তথ্যগতভাবে ভ্রান্ত’ বলেও দাবি করেছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এই প্রসঙ্গে বারবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিষয়কে সমর্থন জানিয়ে ওআইসি নিজেদের গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে মন্তব্য করে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনৈতিক অবস্থা বদল করা যাবে না।



