Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রবিবার

প্রশাসকের লেখনী

সিঁড়িতে পায়ের শব্দ শুনতে পেয়ে কলম নামিয়ে রেখে সোজা হয়ে বসলেন ডেপুটি সাহেব। পরক্ষণেই তাঁর গম্ভীর মুখে হাসি ফুটে উঠল

প্রশাসকের লেখনী
  • ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাজা ভট্টাচার্য:.সিঁড়িতে পায়ের শব্দ শুনতে পেয়ে কলম নামিয়ে রেখে সোজা হয়ে বসলেন ডেপুটি সাহেব। পরক্ষণেই তাঁর গম্ভীর মুখে হাসি ফুটে উঠল। দীনবন্ধু ঘুম থেকে উঠে পড়েছে। তাঁর মুখ দেখলেই বোঝা যায়, কালকের পথশ্রম সে কাটিয়ে উঠেছে। একটু অপ্রতিভ হেসে দীনবন্ধু বললেন, ‘খুব ঘুমলাম যা-হোক! সূর্য তো প্রায় মাথার উপর ওঠার জোগাড় দেখছি! তোমার নিশ্চয় সকালের জলখাবার খাওয়া হয়ে গিয়েছে, বঙ্কিম?’হাসিমুখেই মাথা নেড়ে বঙ্কিমচন্দ্র বললেন, ‘মোটেই অত দেরি হয়নি। সকালের খাবার একসঙ্গে খাব বলেই অপেক্ষা করছিলাম। ও বেচারাম! এইবার খেতে দে বাবা!’ভিতর থেকে শোনা গেল খানসামার গলা, ‘এই দিই আজ্ঞে!’ বঙ্কিমের উল্টোদিকের চেয়ারটায় বসে পড়ে দীনবন্ধু মিত্র বললেন, ‘এইবার বল শুনি, এত বড়ো গোলমালটা বাঁধালে কী করে। আমি খবরের কাগজে খানিক পড়েছি, কিন্তু সে সব সাহেবদের ফক্কিকারি। আমি ঘোড়ার মুখের খবরটা শুনতে চাইছি।’

Advertisement

বঙ্কিম চাপা গলায় বললেন, ‘একটা অত বড়ো নাটক লিখেও তোমার শান্তি হয়নি? নিজের নাম দাওনি বইয়ে, তাই বেঁচে গেছ। নাম জানতে পারলে নীলকর সাহেবরা তোমাকেই ফাঁসিতে ঝোলাত। তাও তোমার কৌতূহল কমেনি?’ সতর্কভাবে চারপাশে একবার তাকিয়ে দীনবন্ধু মাথা নিচু করে হাসতে লাগলেন। কয়েক মাস আগেই প্রকাশিত হয়েছে দীনবন্ধু মিত্রের লেখা নাটক ‘নীলদর্পণ’। তাতে দীনবন্ধু নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বৃত্তান্ত এমনভাবেই লিখেছেন যে, সত্যিই তারা তাঁকে চিহ্নিত করতে পারলে নির্ঘাত খুন করে ফেলবে। গোটা বাংলাদেশ এই মুহূর্তে আগুন হয়ে আছে এই একটি নাটককে কেন্দ্র করে। কিন্তু দীনবন্ধু বইয়ে নিজের নাম না দিয়ে শুধু লিখে দিয়েছেন ‘নীলকর-বিষধর-দংশন-কাতর-প্রজানিকর-ক্ষেমঙ্করেণ কেনচিৎ পথিকেনাভিপ্রণীতং’। সোজা কথায়, এই বই লিখেছেন এমন কোনও এক পথিক, যিনি নীলকর নামের সাপের কামড়ে জর্জরিত প্রজাদের মঙ্গল চাইছেন। ফলে ডাক বিভাগের বড়োকর্তা দীনবন্ধু মিত্রই যে আসলে এই বইয়ের লেখক, তা কেউ ভাবতেও পারেনি। হাসি সামলে দীনবন্ধু বললেন, ‘না না, ওসব বললে হবে না। বল তো শুনি, তুমি ঠিক কী দেখেছিলে বড়খালি গ্রামে? তুমি কি নিজে গিয়েছিলে সেখানে?’ এইবার খুব ধীরে ধীরে বঙ্কিমের মুখ থেকে মুছে গেল হাসির রেখা। কয়েক মুহূর্ত স্থির দৃষ্টিতে বন্ধুর মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে তিনি বললেন, ‘আমি জানি দীনবন্ধু, এই নীলকর সাহেবদের অসভ্যতার বৃত্তান্ত তুমি আমার চেয়ে ঢের বেশি জানো। অবিশ্যি তা না জানলে অমন করে তুমি লিখতে পারতে না।’

দীনবন্ধু বললেন, ‘আহা, থাক না আমার লেখার কথা...।’ ‘আমিও এই প্রথম যশোরে এলাম, এমন নয়,’ বলে চললেন বঙ্কিম, ‘কিন্তু এবার এই খুলনার দায়িত্ব নিয়ে যা দেখলাম... নরকও বোধহয় এর চেয়ে ভালো। তার উপর খুলনা তো আর সদর নয়! যশোরের অন্তর্গত একটা মহকুমা। আমি তার চার্জ নিয়ে এসেছি। ফলে এই নীলকররা যেন আমাকে মানুষের মধ্যেই গণনা করছিল না।’ ‘আর এই মরেল সাহেব? তাকে তো শুনলাম খুঁজে পাওয়া যায়নি!’ বললেন দীনবন্ধু।

সাংঘাতিক রাগে বঙ্কিমচন্দ্রের ফর্সা মুখটা লাল হয়ে উঠল, ‘পালিয়েছে স্কাউন্ড্রেলটা। এরা সব মুখে সুশাসন নিয়ে বড়ো বড়ো কথা বলে, আসলে নিজের জাতের মানুষের জঘন্যতম অপরাধকেও আড়াল করে।’

‘তুমি কি নিজে বড়খালি গিয়েছিলে?’

‘দাঙ্গার দিনই। সে যে কী দৃশ্য...।’

চোখ বন্ধ করে ফেললেন বঙ্কিম, যেন তিনি সেই ভয়াবহ দৃশ্য আবার চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন।

‘একটু গুছিয়ে বল দেখি, কী ঘটেছিল!’

বঙ্কিম বললেন, ‘আমি এবার খুলনার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে চার্জ নিয়ে জানতে পারলাম, মরেল নামের এক নীলকর সাহেব এখানে প্রায় রাজা হয়ে বসেছে। সে আবার একটা শহর বানিয়ে তার নাম রেখেছে মরেলগঞ্জ। সে হল সেখানকার রাজা। তার রীতিমতো পাইক-বরকন্দাজ আছে। তাদের আবার এক সর্দার আছে। ডেনিস হিলি। আয়ারল্যান্ডের লোক।’

‘অর্থাৎ মরেল রাজার সেনাপতি।’

‘যা বলেছ। আমি আসার পর থেকেই শুনছি, মরেলের অত্যাচারে রায়তেরা একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে আছে। হাজার হাজার বিঘে জমি কিনে হতভাগা জমিদার হয়ে বসেছে। শুধু বড়খালি গ্রামের প্রজারা ঘাড় পাতেনি। তারা বলে দিয়েছে, মরে গেলেও নীলচাষ করবে না। দাদন নেয়নি তারা।’

‘শাবাশ! তারপর?’

‘আমি আসার বছর খানেক পর একসময় খবর পেলাম, মরেল একটা বড়োসড়ো দাঙ্গা করবে বলে লোকলশকর গোছাচ্ছে। মুশকিল হল, কোপটা যে ঠিক কোথায় পড়বে, সেইটে বুঝতে পারলাম না। চারদিকে পুলিশ মোতায়েন করে দিলাম। খবর পেলেই দৌড়ব বলে তৈরি হয়ে থাকলাম।’

‘পেলে খবর?’

‘পেলাম, কিন্তু ভুয়ো খবর।’

‘সে আবার কী?’

‘মরেলের লোকজন এমন একটা ভান করল, যেন ওরা সরুলিয়া গ্রামটাকে আক্রমণ করবে বলে ঠিক করেছে। আমি সবে সেখানে জনা বিশেক পুলিশ মোতায়েন করেছি, এমন সময় একদিন বিকেলের দিকে খবর এল, হিলি সেদিনই সকালে বারো নৌকো লাঠিয়াল নিয়ে বড়খালি গ্রামে ঢুকে পড়েছে।’

‘আর তুমি খবর পেলে বিকেলে?’

বঙ্কিম বলে চললেন, ‘আমি যখন গিয়ে পৌঁছলাম, তখন সন্ধে হয় হয়। সেই দৃশ্য আমি কখনও ভুলব না দীনবন্ধু। প্রতিটি বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই। রাস্তায় পড়ে আছে আহত মানুষজন। গোটা গাঁয়ে একজন মানুষও বোধহয় পুরোপুরি অক্ষত ছিল না। নরকের কীটগুলো মেয়েদের পর্যন্ত রেহাই দেয়নি...।’

বলতে বলতে থেমে গেলেন বঙ্কিম। তাঁর গলা ধরে গিয়েছে যেন।

কিছুটা সামলে নিয়ে তিনি আবার যখন কথা বললেন, তখন তাঁর গলা ভেঙে হয়ে এসেছে, ‘গ্রামের সর্দার ছিল রহিম নামের এক পাঠান। তার পায়ে গুলি লেগেছিল। পালিয়ে গিয়েছিল সে। ওই হিলি তাকে নিজের বাড়ির উঠোনে দেখতে পেয়ে ফের গুলি করে। এবার বুকে। শেষ।’

শিউরে উঠে দীনবন্ধু বললেন, ‘তার মৃতদেহ খুঁজে পাওনি তুমি?’

‘না। লাশটা পর্যন্ত উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিল খুনিগুলো। এর আগেও একবার বড়খালি গ্রামে গিয়েছিলাম আমি। ছবির মতো সুন্দর গ্রাম। এবার যখন গিয়ে পৌঁছলাম, তখন চারদিকে শুধু আগুন, ছাই, ধোঁয়া, মেয়েদের কান্না আর পুরুষদের আর্তনাদ! সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে।’

খানসামা খাবার দিয়ে গিয়েছে অনেকক্ষণ। খেয়াল করেননি কেউই।‌

‘তারপরই তুমি তদন্তের আদেশ দিলে?’ জিজ্ঞাসা করলেন দীনবন্ধু।

‘সঙ্গে সঙ্গেই। যতদূর পারা যায় চিঠি লিখলাম। গ্রামের লোকেদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করলাম। মেয়েগুলোকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলাম।’

‘মরেলকে ধরতে পারলে না?’

‘কোথায় আর পারলাম! সে আর তার পার্টনার লাইটফুট— দু’জনেই পালিয়েছে। তাদের নাকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দু’দিন পরেই শুনবে ইংল্যান্ডে ফিরে গেছে।’

‘আর হিলি?’

‘যেখানেই গিয়ে লুকোক সে, একদিন ঠিক তাকে আমি খুঁজে বের করব, দেখে নিও!’ হিংস্র গলায় বললেন বঙ্কিমচন্দ্র। সেই কণ্ঠ শুনলেই বোঝা যায়, রহিমের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার ব্যাপারে বঙ্কিম দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি এই মুহূর্তে ভুলে গিয়েছেন, পরাধীন দেশের একজন রাজকর্মচারী আসলে এত ক্ষমতার অধিকারীই নন।

‘আর অন্য লাঠিয়ালরা?’

‘একজনের ফাঁসির সাজা হবেই। বাকিদের বোধ করি দ্বীপান্তর।’ শক্ত গলায় বললেন বঙ্কিম। তদন্তের আদেশ তিনিই দিয়েছিলেন, ফলে বিচারের ভার এক্ষেত্রে তাঁর হাতে নেই।

এমন সময় আর্দালি এসে বঙ্কিমের হাতে নীরবে একটা চিরকুট দিল। সেদিকে একবার তাকিয়ে বঙ্কিম বললেন, ‘নিয়ে গিয়ে বসাও। আমি আসছি।’ তারপর উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘তুমি খাওয়া শুরু কর। এক সাহেব এত্তেলা পাঠিয়েছেন। এক্ষুনি দেখা করতে চান। আমি চট করে দেখা করে আসছি।’

বাইরের ঘরে এসে বঙ্কিম সামান্য অবাক হলেন। যে শ্বেতাঙ্গ যুবক অতিথিদের জন্য নির্দিষ্ট চেয়ারে বসে আছেন, তিনি গৃহস্বামীকে ঘরে ঢুকতে দেখে প্রথা অনুযায়ী উঠে দাঁড়ালেন না। আগের মতোই চেয়ারে বসা অবস্থায় অসম্ভব ঠান্ডা চোখে বঙ্কিমের চোখের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি।

নিজের চেয়ারে বসে বঙ্কিমচন্দ্র বললেন, ‘ইয়েস জেন্টলম্যান, হোয়াট ক্যান আই ডু ফর ইউ?’

এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবেই যেন ইংরেজ যুবকটি উঠে দাঁড়িয়ে পকেট থেকে বের করে আনল দু’টি জিনিস, তারপর রাখল টেবিলের উপর।

একটি রিভলভার এবং একটি মোটা টাকার বান্ডিল।

‘এখানে এক লক্ষ টাকা আছে।’ ঠান্ডা গলায় বলল যুবক, ‘মরেলের কেসটা মিটিয়ে ফেলুন মিঃ চ্যাটার্জি। নইলে বুঝতে হবে, আপনি টাকার বদলে অন্য জিনিসটা বেছে নিচ্ছেন।’

বঙ্কিমের মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেল। একটা রটনা শোনা যাচ্ছিল বটে, কে নাকি ঘোষণা করেছে— ডিপুটি বঙ্কিম চাটুজ্যেকে যে খুন করতে পারবে, তাকে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। তাই বলে তাঁরই বৈঠকখানায় বসে কেউ তাঁকে সরাসরি হুমকি দেবে, এ তিনি ভাবতেও পারেননি।

একবার ঢোক গিলে ভীত কণ্ঠে তিনি বললেন, ‘একবার গিন্নির সঙ্গে কথা বলে নিতে চাই। এত বড়ো ব্যাপারে...।’

‘গো অ্যাহেড!’ চাবুকের মতো আদেশ এল।

কাঁপা পায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন বঙ্কিম। পরক্ষণেই মুহূর্তের মধ্যে বদলে গেল তাঁর মুখের ভাব। ভিতরের ঘরে ঢুকে চাপা গলায় তিনি বললেন, ‘বেচা! শিগ্‌গির শোন! দেউড়ির দারোয়ানদের গিয়ে খবর দে, এক খুনে সাহেব রিভলভার নিয়ে ঘরে ঢুকে পড়েছে। তাকে বাঁধতে হবে। মোটা দড়ি আনতে বলবি। আমি ততক্ষণ তাকে কথায় ভুলিয়ে...।’

এমন সময় বাইরে একটা শোরগোল শুনে তাড়াতাড়ি বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন বঙ্কিম। দারোয়ানেরা ভ্যাবাচ্যাকা ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে সদর দরজার কাছে। তাঁকে বেরিয়ে আসতে দেখে তাদের একজন ছুটে এল ভিতরে।

‘এক সাহেব একটু আগেই এসেছিল হুজুর। এইমাত্র দৌড়ে বেরিয়ে গিয়ে সামনে রাখা গাড়িতে উঠে চলে গেল।’

হো হো করে হেসে উঠে বঙ্কিম বললেন, ‘চলে গেল নয়। পালিয়ে গেল। হতভাগা বুঝে ফেলেছিল, আমি বউয়ের সঙ্গে কথা বলার নাম করে লোক ডাকতে এসেছি।’

দারোয়ানরা চোখ ছানাবড়া করে তাকিয়ে রইল এই অদ্ভুত মনিবের দিকে। সাহেব ছুটে পালায়, এমন ঘটনা তারা জীবনেও দেখেনি।

‘খাবারটা একটু গরম করে দে বাবা!’ বেচারামকে বললেন বঙ্কিম, ‘সমস্ত যে জুড়িয়ে গেল! দীনবন্ধু কি খেল, না এখনও বসে আছে?’ বলতে বলতে তিনি দ্রুত পায়ে হাঁটতে লাগলেন খাওয়ার ঘরের দিকে।

সেই ঘরে ঢুকে অবশ্য থমকে দাঁড়াতে হল তাঁকে। তিনি বেরিয়ে যাওয়ার পর কখন যেন দীনবন্ধু টেনে নিয়েছেন টেবিলে রাখা কাগজের গোছা।

‘এসব কী লিখেছ, বঙ্কিম! এখানে এই ভয়ানক অবস্থা চলছে, তোমার প্রাণ নেওয়ার জন্য লোক লাগিয়েছে— আর তুমি...!’

সামান্য লজ্জিত মুখে দীনবন্ধুর হাত থেকে কাগজগুলো নিয়ে গোছাতে গোছাতে বঙ্কিম বললেন, ‘হ্যাঁ ভাই। একটা নতুন ধরনের জিনিস শুরু করলাম। বলতে পার, আমি বাংলা ভাষায় নভেল লেখার চেষ্টা করছি।’

‘এ যে আশ্চর্য ভাষা! আশ্চর্য গাম্ভীর্য, অথচ ঝরঝর করে বয়ে যাচ্ছে যেন! কী নাম রেখেছ নভেলের?’

‘দুর্গেশনন্দিনী।’ মৃদু হেসে বললেন বঙ্কিম।

বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাসের পাণ্ডুলিপির দিকে সবিস্ময়ে তাকিয়ে রইলেন দীনবন্ধু মিত্র। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নিকটতম বন্ধু।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ