Bartaman Logo
৩০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাগডোগরা বাজারে অভিযান প্রশাসনের অধিকাংশ ব্যবসায়ীর কাছে নেই ক্রয়-বিক্রয়ের নথি

চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী। এদিকে পুরনো স্টকের চিনি নতুন দামে বিক্রি করছেন একাংশ ব্যবসায়ী। ক্রয়-বিক্রয়ের নথি নেই অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের কাছেই।

বাগডোগরা বাজারে অভিযান প্রশাসনের অধিকাংশ ব্যবসায়ীর কাছে নেই ক্রয়-বিক্রয়ের নথি
  • ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বাগডোগরা ও মালবাজার: চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী। এদিকে পুরনো স্টকের চিনি নতুন দামে বিক্রি করছেন একাংশ ব্যবসায়ী। ক্রয়-বিক্রয়ের নথি নেই অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের কাছেই। বাগডোগরায় দিনের পর দিন এভাবেই চলছে ব্যবসা। শনিবার বাগডোগরা বাজারে উপভোক্তা কল্যাণ দপ্তরের অভিযানে এমনই চিত্র সামনে এল। কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন দপ্তরের আধিকারিকরা। এদিন নকশালবাড়ির বিডিও প্রণব চট্টরাজ, উপভোক্তা কল্যাণ আধিকারিক জয়ন্ত সরকার, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি অনির্বাণ মজুমদার ও বাগডোগরা থানার ওসি কল্যাণ সাহার নেতৃত্বে বাগডোগরা হাটে অভিযান চলে। চিনি, পিঁয়াজ থেকে শুরু করে কাঁচামাল, মুদি সামগ্রী সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা, তা তাঁরা খতিয়ে দেখেন। অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা ক্রয়-বিক্রয়ের নির্দিষ্ট নথি দেখাতে পারেননি। এতেই ক্ষুব্ধ হন আধিকারিকরা। 

Advertisement

এছাড়া বিভিন্ন দোকানে দেখা যায় পুরনো স্টকের চিনি নতুন দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এক ব্যবসায়ীর কাছে ৭৮ বস্তা চিনি থাকলেও ক্রয় ও বিক্রির নথি নেই তাঁর কাছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মহম্মদ সামসি বলেন, নকশালবাড়ি থেকে মার্চ মাসের স্টকের চিনি আমি আগস্ট মাসে কিনেছি। ব্লক উপভোক্তা কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক জয়ন্ত সরকার বলেন, অভিযানে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। দোকানদাররা অধিকাংশ মিথ্যা কথা বলছেন। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেসমস্ত দোকানদারদের কাছে নির্দিষ্ট নথি পাওয়া যায়নি তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এসিপি অনির্বাণ মজুমদার বলেন, বিভিন্ন জায়গায় এই অভিযান চলছে। নিয়ম মেনে সামগ্রী বিক্রি না করলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 
অন্যদিকে, জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে এদিন ওদলাবাড়িতে অভিযান করল মাল মহকুমা প্রশাসন ও পুলিশ। ওদলাবাড়ি বাজারের মুদিখানা, মিষ্টি ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর দোকানে অভিযান চালানো হয়। উপস্থিত ছিলেন মাল থানার আইসি পেলজার ভুটিয়া, জয়েন্ট বিডিও মহম্মদ তৌফিক আলি সহ  খাদ্যসুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। অভিযানে দোকানদারদের প্রতিটি পণ্যের মূল্য তালিকা প্রকাশ্যে টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মিষ্টি ও খাবার তৈরির কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা মানা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। একটি মিষ্টির দোকানের কারখানায় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ধরা পড়ায় মালিককে সতর্ক করা হয়। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ