Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জাতীয় সড়কের মাঝে ডিভাইডারে বিভ্রান্তি, পর্যাপ্ত পথবাতি না থাকায় ঘটছে দুর্ঘটনা

১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের মাঝে আচমকা ডিভাইডার! ফলে তাতেই ঘটছে দুর্ঘটনা। রাজবাঁধ এলাকায় জাতীয় সড়কের ওই জায়গায় সম্প্রতি একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার মাঝে থাকা ডিভাইডারে উঠে গিয়েছিল।

জাতীয় সড়কের মাঝে ডিভাইডারে বিভ্রান্তি, পর্যাপ্ত পথবাতি না থাকায় ঘটছে দুর্ঘটনা
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানকর: ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের মাঝে আচমকা ডিভাইডার! ফলে তাতেই ঘটছে দুর্ঘটনা। রাজবাঁধ এলাকায় জাতীয় সড়কের ওই জায়গায় সম্প্রতি একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার মাঝে থাকা ডিভাইডারে উঠে গিয়েছিল। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, দিনের আলোয় অসুবিধা না হলেও রাতে এখানে চালকদের সমস্যা হয়। রাস্তার ওই অংশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকলে এড়ানো যাবে দুর্ঘটনা। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অবশ্য বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছে। 

Advertisement

জাতীয় সড়কের দুর্গাপুরগামী লেনে বিরুডিহা পেরোনোর পর শুরু হচ্ছে ফ্লাইওভার। এই ফ্লাইওভার পেরনোর পর আছে আর একটি ফ্লাইওভার। দু’টি ফ্লাইওভারের মাঝের রাস্তা কিছুটা অংশ এসে আচমকাই ভাগ হয়েছে। মধ্যে রয়েছে একটি ডিভাইডার। স্বল্প দূরত্ব যাওয়ার পর আবার দু’টি রাস্তা এক হয়ে ফ্লাইওভারে উঠছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার মাঝের ওই ডিভাইডারের জন্যই রাতের বেলা দুর্ঘটনা ঘটছে। অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। 
লরিচালক কার্তিক মেটের কথায়, রাতে অনেক চালকের অসুবিধা হয় ওখানে। দুর্ঘটনাও ঘটে। জাতীয় সড়ক ছয় লেনের হওয়ার পর থেকে গাড়ির গতি আগের চেয়ে বেড়েছে। এই অংশে এসে আচমকাই লেন ভাগ হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই ভাবেন দু’টি লেন পৃথক দিকে যাচ্ছে। কোনদিকে যাবেন বুঝতে পারেন না। তাড়াহুড়োয় গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়। ফলে ডিভাইডারে উঠে যায় গাড়ি। চালক ও খালাসি জখম হন। 
বাইক চালক তন্ময় চক্রবর্তী বলেন, নতুন চালকদের খুব সমস্যা হয় এখানে। পাশাপাশি দুর্গাপুরগামী রাস্তায় এমন সমস্যা আরও কয়েকটি জায়গায় রয়েছে। সেগুলির দিকেও নজর দিতে হবে প্রশাসনকে।  
রাজবাঁধের এক বাসিন্দা বলেন, ফ্লাইওভারের উপর আলোর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু রাস্তার ওই অংশে আলো না থাকায় বাইক চালক থেকে বড় গাড়ির চালক সবাই অসুবিধার মধ্যে পড়েন। রাস্তার ওই অংশে সিগন্যাল থাকলে দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওখানে দুর্ঘটনা এড়াতে হ্যাজার্ড মার্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অর্থাৎ রাস্তার মধ্যে বা পাশে কোনও বাধা থাকলে কালো ও হলুদ রঙের এই মার্কার ব্যবহার  হয়। রাতে কম আলোতেও এই মার্কার চালকের চোখে পড়ে। তাছাড়া ওই ডিভাইডারের আগে স্প্রিং পোস্ট দেওয়া আছে। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্প্রিং পোস্ট নেই। ফলে চালকদের সমস্যা বেড়েছে। 
কাঁকসা থানার এক পুলিশ আধিকারিক জানান, ওখানে পর্যাপ্ত আলোর জন্য একাধিকবার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। কিন্তু লাভ হয়নি। বিষয়টি দেখা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের এক আধিকারিক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ