সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বাংলার বাড়ি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা পেয়েই প্রশাসনের পক্ষ থেকে পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে গ্রামসভার আয়োজন করা হচ্ছে। গ্রামসভায় উপভোক্তাদের হাতে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা সহ বাড়ির স্কেচ তুলে দেওয়া হচ্ছে। গ্রামসভায় নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে কালোবাজারি করা ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
Advertisement
বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের উপভোক্তারা যাতে নির্দিষ্ট স্কেচ অনুযায়ী বাড়ি তৈরি করেন, সে ব্যাপারে জানানো এবং দ্রুত যাতে তাঁরা কাজ শেষ করেন, সে ব্যাপারে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতকে গ্রামসভা করতে বলা হয়। সেই মতো অনেক জায়গাতেই এদিন গ্রামসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সলদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিল দে বলেন, আমাদের পঞ্চায়েতে মোট ৫৪৬ উপভোক্তা প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেককে গ্রামসভায় ডাকা হয়। তাঁদের হাতে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাড়ির তৈরির অনুমোদনপত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাড়ির একটি প্ল্যান দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী যাতে তাঁদের বাড়ি তৈরি করতে বলা হয়েছে। কোনও ব্যবসায়ী নির্মাণ সামগ্রীর কালোবাজারি করলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের কথাও জানানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী বাংলার বাড়ি নিয়ে পুলিস, প্রশাসন সহ পঞ্চায়েতের আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছেন। কোনও রকম অনিয়ম যাতে না হয়, সে ব্যাপারে নজরদারি চালাতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো এদিন জয়পুরের সলদা পঞ্চায়েতে গ্রামসভা চলছিল। উপভোক্তারা দলে দলে সেখানে ভিড় জমান। পঞ্চায়েতের আধিকারিকরা প্রথমেই উপভোক্তাদের হাতে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা তুলে দেন। পরে তাঁদের হাতে বাড়ির স্কেচ তুলে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েতের কর্মীরা মাইক হাতে বাড়ি তৈরির নিয়মাবলি এবং পরবর্তী ধাপে টাকা পাওয়ার নিয়মও বলে দেন। সলদা ছাড়াও জয়পুর, কোতুলপুর, পাত্রসায়র, ইন্দাস, সোনামুখী প্রভৃতি ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েতেও একইভাবে গ্রামসভা হয়। জয়পুরের সলদার বাসিন্দা আরতি ঘোষ বলেন, আমি ৬০ হাজার টাকা পেয়েছি।



