নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে চূড়ান্ত তালিকায় সিলমোহর দিতে বাঁকুড়ার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েতেই গ্রাম সংসদ সভা ডাকা হবে। ওই সভায় আবাসের তালিকা অনুমোদন পাবে। তা না হলে সেই তালিকা বৈধ হিসেবে গণ্য হবে না। ফলে আগাম স্থির না থাকলেও ডিসেম্বর মাসেই গ্রাম সংসদ সভা ডাকা হবে।
Advertisement
বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক(জেলা পরিষদ) রোহণ লক্ষ্মীকান্ত যোশী বলেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রাথমিক খসড়া তালিকা ইতিমধ্যেই প্রস্তুত করা হয়েছে। সমীক্ষা চালিয়ে মূল তালিকা থেকে ১০ শতাংশ নাম বাদ দিয়ে প্রাথমিক তালিকা তৈরি হয়। আগামী কয়েকদিনে তাতে কিছুক্ষেত্রে সংযোজন বা বিয়োজন হতে পারে। তারপর তা চূড়ান্ত তালিকা হিসাবে ধরা হবে। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ওই তালিকা গ্রাম সংসদে পাশ না হবে, ততক্ষণ আমরা তা থেকে বড়ি বরাদ্দ করতে পারব না। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জেলার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে গ্রাম সংসদ সভা ডাকা হবে। সেইসব সভায় গ্রাম পঞ্চায়েত ভিত্তিক তালিকা পাশ হবে। বাঁকুড়া-১ ব্লকের জগদল্লা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গুরুদাস মুখোপাধ্যায় বলেন, বছরে সাধারণত দু’বার গ্রাম সংসদ সভা হয়। এইসময় সভা হওয়ার কথা ছিল না। শুধুমাত্র আবাসের তালিকা অনুমোদনের জন্যই সভা ডাকা হচ্ছে। আমরা সপ্তাহখানেকের মধ্যে সভা ডাকার চেষ্টা করছি। এব্যাপারে দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মধ্যে একমাত্র গ্রাম পঞ্চায়েতস্তরেই সংসদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতে বসবাসকারীরা সরাসরি নিজেদের মতামত রাখতে পারেন। সেই সভার রেজ্যুলিশনের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী ছ’মাসের উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করা হয়। উন্নয়নমূলক কাজও ওই সভায় পাশ করা হয়। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার বা জেলা প্রশাসন স্বচ্ছতার সঙ্গে সবকিছু করতে চাইছে। ফলে ‘গোপনে’ তালিকা তৈরির বিষয়টি বরদাস্ত করা হবে না। সবকিছু প্রকাশ্যে টাঙানোর ব্যাপারে ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারপরেও সকলের সামনেই সেই তালিকায় অনুমোদন নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মধ্যে একমাত্র গ্রাম পঞ্চায়েতস্তরেই সংসদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতে বসবাসকারীরা সরাসরি নিজেদের মতামত রাখতে পারেন। সেই সভার রেজ্যুলিশনের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী ছ’মাসের উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করা হয়। উন্নয়নমূলক কাজও ওই সভায় পাশ করা হয়। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার বা জেলা প্রশাসন স্বচ্ছতার সঙ্গে সবকিছু করতে চাইছে। ফলে ‘গোপনে’ তালিকা তৈরির বিষয়টি বরদাস্ত করা হবে না। সবকিছু প্রকাশ্যে টাঙানোর ব্যাপারে ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারপরেও সকলের সামনেই সেই তালিকায় অনুমোদন নেওয়া হবে।



