Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাস: ঘর প্রাপকদের থেকে মোটা টাকা নিচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত

আবাস: ঘর প্রাপকদের থেকে মোটা টাকা নিচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত
  • ৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: বাংলা আবাস যোজনার ঘর প্রাপকদের কাছ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের ট্যাক্সের নাম করে নেওয়া হচ্ছে মোটা টাকা। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় গ্রাম পঞ্চায়েতের রসিদ ছড়িয়ে দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দাদের একাংশ। যে রসিদগুলি সামনে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে কারও কাছে ১০০০, তো কারও কাছ থেকে ১০৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, গ্রাম পঞ্চায়েতের ট্যাক্স ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত হয়। কিন্তু রীতিমতো হাজার টাকার ট্যাক্সের রসিদ ধরিয়ে দিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মোটা টাকা। ফলে গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। ব্লক প্রশাসনও জানিয়েছে, আবাস যোজনার ঘর প্রাপক যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের কাছে এ ধরনের টাকা নেওয়া অনৈতিক। লিখিত অভিযোগ পেলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মাথাভাঙা-১ এর বিডিও। যদিও গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের দাবি, সারা বছর ট্যাক্স আদায় করা হয়। এখনও হচ্ছে। এনিয়ে অযথা বিতর্ক করা হচ্ছে। 
Advertisement
মাথাভাঙা-১ ব্লকের জোরপাটকি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন বাসিন্দা আবাস যোজনার ঘর পেয়েছেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, আবাস যোজনার ঘর যাঁরা পেয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগেরই আধার নম্বরের সঙ্গে মোবাইল সংযোগ করা নেই। অনেকেরই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করা নেই। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে শিবির করা হচ্ছে। সেখানেই ট্যাক্সের রসিদ না থাকলে লিঙ্ক করিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে আবাস যোজনার প্রাপকরা হাজার টাকা, কেউ আরও বেশি টাকা দিয়ে ট্যাক্সের রসিদ সংগ্রহ করছেন। এব্যাপারে জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরেশচন্দ্র বর্মন বলেন, আমরা গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে সারাবছর ট্যাক্স আদায় করি। এখনও করা হচ্ছে। শুধু আবাস যোজনার নয়, সবার কাছেই ট্যাক্স আদায় করা হয়। কিছু মানুষ এনিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করছে। আমরা নিয়ম মেনে ট্যাক্স আদায় করছি। 
মাথাভাঙা-১ এর বিডিও শুভজিৎ মণ্ডল বলেন, এভাবে আবাস যোজনার প্রাপকদের কাছ থেকে মোটা টাকা ট্যাক্সের নামে আদায় করা ঠিক নয়। আমাদের কাছে এনিয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ জানাননি। অভিযোগ এলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ