হায়দরাবাদ: ২৪, ৬, ১, ২, ১৮! আইপিএলের প্রথম ছয় ইনিংসে এসেছিল মাত্র ৫১। হলটা কী অভিষেক শর্মার? শুরু হয়েছিল জল্পনা। কে জানত, ফর্মে ফেরার জন্য শনিবার উপ্পলে পাঞ্জাব কিংসকেই বেছে নেবেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বাঁ-হাতি ওপেনার। ৫৫ বলে ধুন্ধুমার ১৪১ করলেন তিনি। ২৫৬.৩৬ স্ট্রাইক রেটে কার্যত বিপক্ষ বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করলেন অভিষেক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১০টি ছক্কা ও ১৪টি বাউন্ডারি। ২৪৬ তাড়া করতে নেমে অভিষেকের দাপটেই ৮ উইকেটে জিতল সানরাইজার্স (২৪৭-২)। ৯ বল বাকি থাকতে এল জয়।
প্রায় আড়াইশো রানের টার্গেটের সামনে ট্রাভিস হেডের সঙ্গে অভিষেকের ওপেনিং জুটিই গড়ে দিয়েছিল জয়ের ভিত। প্রথম উইকেটে ১২.২ ওভারে ওঠে ১৭১। ৩৭ বলে ৬৬ করেন ট্রাভিস। তাঁর ইনিংসে ছিল ন’টি চার ও তিনটি ছক্কা। ম্যাচের প্রথমার্ধ অবশ্য মাতিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। আইপিএলের চলতি আসরে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন তিনি। এদিন ৩০ বছর বয়সি ৩৬ বলে ২২৭.৭৭ স্ট্রাইক রেটে করলেন ৮২। তাতে থাকল ছয়টি ছক্কা ও ছয়টি চার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ট্র্যাজিক নায়ক হয়েই থাকতে হল শ্রেয়সকে।
টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়ে শুরু থেকেই রণমূর্তি ধারণ করেছিলেন পাঞ্জাবের দুই ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য ও প্রভসিমরন সিং। জুটিতে ওঠে ৬৬ রান। ১৩ বলে ৩৬ রান করে আউট হন প্রিয়াংশ। ২৩ বলে ৪২ করে এশান মালিঙ্গার বলে ক্যাচ তুলে ডাগ-আউটে ফেরেন প্রভসিমরন। তবে থামেননি শ্রেয়স। কিন্তু আরও একবার সেই সুযোগ হাতছাড়া করলেন পাঞ্জাব অধিনায়ক। ৮২ রানে হার্শল প্যাটেলের বলে হেডের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন নেহাল ওয়াধেরা (২২ বলে ২৭) ও মার্কাস স্টোইনিস (১১ বলে অপরাজিত ৩৪)। সামির শেষ ওভারে চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে পাঞ্জাবের স্কোর আড়াইশোর কাছে নিয়ে যান স্টোইনিস। হায়দরাবাদের বোলারদের মধ্যে হার্শল একাই চারটি উইকেট নিয়েছেন। তবে চার ওভারে ৭৫ রান বিলিয়ে চরম লজ্জা উপহার দিলেন সামি। কোনও উইকেটও পাননি।