সংবাদদাতা, চাঁচল: মুম্বই, রাজস্থান ও তামিলনাড়ু সহ বিভিন্ন রাজ্যের আইডি অবৈধভাবে ব্যবহার করে আধার কার্ড সংক্রান্ত একাধিক কাজ চলছিল মালদহের চাঁচল ও হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায়। অভিযোগ, আধার কার্ডের যাবতীয় কাজে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই গোপনে এই জালিয়াতি চক্র সক্রিয় ছিল এলাকায় বলে অভিযোগ। কীভাবে অন্যের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেটিও জানার চেষ্টা করছে পুলিস। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে চাঁচল থানার পুলিস। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মোস্তফা আব্দুল ওয়াহেদ চাঁচল থানার সূতি গ্রামের বাসিন্দা। আরেক ধৃত মহম্মদ আজম হরিশ্চন্দ্রপুর থানার উত্তর রামপুরে থাকত। ছ’দিন আগে প্রথমে বাড়ি থেকে সূতির মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে ল্যাপটপ, আইবল স্ক্যানার, কিবোর্ড, প্রিন্টার ও একাধিক আধারের রিসিভ কপি বাজেয়াপ্ত করে পুলিস। আদালতের নির্দেশে মোস্তফাকে পাঁচদিনের হেফাজতে নিয়ে জেরা করেন তদন্তকারীরা। রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হলে ১৬ দিনের জন্য জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। মোস্তফাকে জেরা করেই রবিবার রাতে আজমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। আদালতের নির্দেশে সে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতে রয়েছে। তাকে এই চক্রের মূল পান্ডা হিসেবে সন্দেহ করছে পুলিস। তবে, আজমকে গ্রেপ্তারের আগেই তার পরিবারের সদস্যরা আধার তৈরির প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে তার বাড়ি তালাবন্দি রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।



