ঢাকা, ১ জানুয়ারি: বেছে বেছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপরই হামলা চালানো হচ্ছে বাংলাদেশে। ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই হিন্দুদের উপর অত্যাচার বেড়ে গিয়েছে পদ্মপাড়ে। সঙ্গে ভারত বিরোধী স্লোগান ও দূতাবাসের বাইরে বিক্ষোভ দেখানো চলছেই। গত কয়েকসপ্তাহে খুন করা হয়েছে একাধিক হিন্দুকে। এবার ফের আরও এক হিন্দুকে মারধর করে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ‘গান্ধারী’ ইউনুসের বাংলাদেশে।
সূত্রের খবর, গত ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শরিয়তপুরের বাড়ি ফেরার পথে খোকন দাস নামের এক ব্যক্তিকে আচমকাই মারধর করে একদল দুষ্কৃতী। তাঁর উপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে হামলাও চালানো হয়। ব্যাপক মারধরের পর, শেষে খোকনের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয় ওই দুষ্কৃতীরা। প্রাণে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ দেন। যদিও গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি সে। এখনও পর্যন্ত খোকনের পরিবারের তরফে পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে খবর। কী কারণে এই হামলা? সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এর আগে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় ইসলাম ধর্মের অবমাননার অভিযোগে দীপুচন্দ্র দাসকে গণপিটুনি দেয় উন্মত্ত জনতা। পিটুনির পর তাঁর পায়ে দড়ি বেঁধে গাছে ঝুলিয়েও চলে নির্যাতন। শেষপর্যন্ত আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় ওই যুবকের গায়ে। মৃত্যু হয় দীপুর, তারপর অমৃত মণ্ডল, বজেন্দ্র বিশ্বাসের উপরও হামলা হয়েছে। খুন করা হয়েছে তাঁদের। তারপরেও দুষ্কৃতীরা অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশে।