Bartaman Logo
১৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

জামাইষষ্ঠী জমজমাটি

এক হাতে মিষ্টির হাঁড়ি। আর এক হাতে আম, কাঁঠালের ঝুড়ি। গলদঘর্ম হয়ে জামাই বাবাজীবন ঢুকলেন শ্বশুরবাড়ি। সেজেগুজে মেয়েও আছে পাশে। হাসিমুখে বরণ করলেন শাশুড়ি মা।

জামাইষষ্ঠী জমজমাটি
  • ২০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

• এক হাতে মিষ্টির হাঁড়ি। আর এক হাতে আম, কাঁঠালের ঝুড়ি। গলদঘর্ম হয়ে জামাই বাবাজীবন ঢুকলেন শ্বশুরবাড়ি। সেজেগুজে মেয়েও আছে পাশে। হাসিমুখে বরণ করলেন শাশুড়ি মা। আদর করে মিষ্টি, শরবত খাইয়ে দিলেন। এবার দুপুরের আয়োজন। সারা সকাল, পারলে আগের কয়েকদিন বাজার ঘুরে যা কিছু ভালো ভালো উপকরণ সংগ্রহ করেছেন শ্বশুরমশাই, তা রান্না করে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে জামাইয়ের পাতে। জমে গেল জামাইষষ্ঠী। ‘চতুষ্পর্ণী’-র বিশেষ ফোটোশ্যুটে অভিনেতা দম্পতি রুবেল দাস এবং শ্বেতা ভট্টাচার্যর জন্যও জামাই স্পেশাল থালি সাজিয়ে দেওয়া হয়েছিল। লাল-সাদার কম্বিনেশনে সাজানো হয়েছিল দু’জনকে। শাড়ির আঁচলে লালরঙা কাপড় আলাদা করে কেটে বসানো হয়েছে। ভিতরের নকশায় রয়েছে হালকা সিকুইনের কাজ। গোল্ডেন জুয়েলারিতে ছিল সাবেকি সাজের ছোঁয়া। পাঞ্জাবির সঙ্গে নজরকাড়া একটি ব্রোচ পরেছিলেন রুবেল। শ্বেতা শাঁখা, পলার সাজে বাঙালিয়ানা ধরে রেখেছেন। ছোট্ট টিপ, সিঁদুর, সুন্দর একটি খোঁপায় সাজ সম্পূর্ণ হয়েছিল। 

Advertisement

বাস্তবে এই জুটির জামাইষষ্ঠী কেমন? শ্বেতা জানালেন, রুবেল নানা ধরনের খাবার খেতে পছন্দ করেন। জামাইষষ্ঠীর দিন নায়িকার মা জামাইয়ের পছন্দের নানা রেসিপি বাড়িতেই তৈরি করেন। ঝাল খাবার নায়কের পছন্দ। পাশাপাশি উপহার আদান-প্রদান হয় দু’তরফেই। এই ঐতিহ্য আজীবন ধরে রাখতে চান শ্বেতা-রুবেল। তাঁরা মনে করেন, আধুনিক হওয়া মানে নিজের শিকড়কে ভুলে যাওয়া নয়। তাই ব্যস্ততার মধ্যেও এই ধরনের অনুষ্ঠান পরিবারের সকলকে নিয়ে পালন করতে ভালোবাসেন তাঁরা।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ