সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: মাত্র পাঁচ মিনিটের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হল ৬০টি বাড়ি। শনিবার বিকেলে এই ঝড়ে ময়নাগুড়ির আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১৬/৩২ নম্বর বুথের তিনটি পাড়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু গাছ উপড়ে পড়েছে। ছিড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের তার। গাছ পড়ে জখম হয়েছেন এক ব্যক্তি। তাঁকে উদ্ধার করে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঝড়ের খবর পেয়ে প্রশাসনিক কর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূলের দিলীপ রায় বলেন, ঝড় শুরু হতেই একের পর এক গাছ উপড়ে পড়েছে। বহু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শনিবার বিকেলে আচমকা ঝড় শুরু হয়। আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নাকটানি পাড়া, নলডোবা সহ পার্শ্ববর্তী একটি এলাকায় বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে। যে সময় ঝড় হচ্ছিল, সেই সময় রামচন্দ্র মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি ঘরে ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের বাড়িতে একটি গাছ পড়ে যায়। সেই সময় তিনি মাথায় আঘাত পান। দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল পাঠানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দা দশরথ সরকার বলেন, ঝড় শুরু হতেই একের পর এক গাছ উপড়ে পড়তে থাকে। আমার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের চাল উড়ে গিয়েছে। পাশাপাশি বিমল সরকারের ঘরে গাছ পড়েছে।
পঞ্চায়েত প্রধান দিলীপ রায় বলেন, ঝড় থামতেই আমরা প্রত্যেকটি এলাকায় গিয়ে মানুষজনদের খোঁজখবর নিচ্ছি। যাঁদের বাড়ি ভেঙে গিয়েছে, প্রশাসনিক ভাবে তাঁদেরকে সহযোগিতা করা হবে। ত্রিপলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদেরও প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। কতটা ক্ষতি হয়েছে সেটা দেখা হচ্ছে। কোথায় কী সমস্যা রয়েছে সেটাও দেখে নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, ঝড়ের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আমরা ছুটে এসেছি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। যে সমস্ত বাড়িতে গাছ পড়েছে সেগুলি কাটার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
• নিজস্ব চিত্র।