Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নামখানায় তৈরী হবে মৎস্য বন্দর, কাজ শেষের লক্ষ্যমাত্রা ২০২৭-এর জানুয়ারি

নামখানার হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীর তীরে অত্যাধুনিক মৎস্যবন্দর তৈরি হচ্ছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে বন্দর তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা

নামখানায় তৈরী হবে মৎস্য বন্দর, কাজ শেষের লক্ষ্যমাত্রা ২০২৭-এর জানুয়ারি
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: নামখানার হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীর তীরে অত্যাধুনিক মৎস্যবন্দর তৈরি হচ্ছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে বন্দর তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা। পানীয় জলের ট্যাঙ্ক, বরফকল, সাধারণ মানুষের জন্য শৌচাগার ও প্রশাসনিক ভবন তৈরি হবে। এছাড়া নদী থেকে ট্রলার ডাঙায় তুলে মেরামতের জন্য তৈরি হচ্ছে ‘ড্রাই ডক’। গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে নিয়ে এসে ট্রলারগুলি যাতে বন্দরে দাঁড়াতে পারে, মাল খালাস করতে পারে তার জন্য হবে র‍্যাম্প। মাছ ধরার জাল সারানোর জন্য চারটি ছাউনি দেওয়া ঘর থাকবে। মৎস্যজীবীদের রাত কাটানোর জন্য নির্মাণ হবে আলাদা ভবন। সবমিলিয়ে কয়েক হাজার কেজি মাছ সংরক্ষণ করার জন্য হবে বড়ো ঠান্ডাঘর। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রলারের কাজও করা যাবে সেখানে। রাজ্য সরকারের মৎস্য দপ্তর এই বন্দর গড়ে তুলছে। খরচ হচ্ছে প্রায় ৪০ কোটি টাকা। প্রায় দেড়হাজার মিটার লম্বা ও আড়াইশো মিটার চওড়া জায়গাজুড়ে হচ্ছে বন্দর।

Advertisement

সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘কাকদ্বীপের মৎস্য বন্দরটি প্রায় বন্ধের পথে। কালনাগিনী নদীতে পলি জমে গিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীতে পলি জমার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া এটি আন্তর্জাতিক জলপথ। বন্দর তৈরি হলে মৎস্যজীবীদের অত্যন্ত সুবিধা হবে।’ রমেন দাস নামে স্থানীয় এক মৎস্যজীবী বলেন, ‘ফ্রেজারগঞ্জে একটি মৎস্য বন্দর আছে। তবে সেটি অনেক দূরে। কাকদ্বীপের বন্দরে জোয়ারের সময় ছাড়া ট্রলার নিয়ে ঢোকা যায় না। ইলিশ ধরার মরশুমে মৎস্যজীবীদের খুব সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। এই বন্দর তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হলে আমাদের সবার উপকার হবে।’  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ