• দু’দিনের ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের আসর বসেছিল সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটিতে। ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স ও সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এই সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন। দু’দিনের অনুষ্ঠানে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের পাশাপাশি পরিবেশিত হয় লোকগান। সহযোগিতায় ‘বর্তমান’। পঁচাত্তর বছরে এসে এক ইতিহাস সৃষ্টি করল ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স। যেখানে আলি আকবর খান, রবিশংকর, কানাইলাল দত্ত, ভীমসেন যোশী, জাকির হোসেনের মতো বিশিষ্ট মানুষের শাস্ত্রীয় সুরে মুগ্ধ হয়েছেন সংগীত প্রেমী শ্রোতারা। যাদের সুরের ভেলায় চড়ে বিশ্বদরবারে পরিচিত হয়েছে ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্সের নাম। সেখানে এবার যুক্ত হল বাউল অঙ্গ। পার্বতী দাস বাউলের গানে ডোভার লেন তাদের যাত্রায় সংগীতের নতুন তরি ভাসাল। দু’দিনের অনুষ্ঠানে প্রথম দিন ছিল হারমোনিয়াম, তবলা ও বাউল গান। হারমোনিয়ামে গয়া ঘরানার শিল্পী শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় যোগেশ্বরী রাগে প্রথম সংগীত পরিবেশন করেন। দ্বিতীয় পরিবেশনা ছিল রবিশংকরের সৃষ্টি কাফি অঙ্গে ঠুমরি। তবলায় সংগত দেন অরুণাভ মুখার্জি। তারপর একতারায় সুর তুলে একের পর এক বাউল অঙ্গের গান শোনান পার্বতী দাস বাউল। দ্বিতীয় দিন মোহনবীণার সুরে শ্রোতাদের সুর সাগরে নিয়ে যান জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। গানে অয়ন মুখোপাধ্যায় ও তবলায় পিনাকী চক্রবর্তী। সন্তুর বাদনে ছিলেন সন্দীপ চট্টোপাধ্যায় ও তবলায় রূপক ভট্টাচার্য। এছাড়া ‘ রাগে অনুরাগে ‘ শিরোনামে ফোক মিউজিকের সঙ্গে রাগের মিলনে সংগীত হয়ে ওঠে অত্যন্ত সুমধুর। ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশন করা হয় ‘ইউনিটি ইন ডাইভারসিটি’। দু’দিনের এই সংগীত সফরে শ্রোতারা সুরের মুগ্ধতায় নিজেদের ঋদ্ধ করলেন।



