Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জেলায় ৯৮ শতাংশ বীজতলা সম্পূর্ণ, ভাবাচ্ছে শুধু নিম্নচাপ

জেলায় আমন ধান চাষে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে বৃষ্টি। এবছর এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়েছে।  ইতিমধ্যে জেলায় ১৮ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে।

জেলায় ৯৮ শতাংশ বীজতলা সম্পূর্ণ, ভাবাচ্ছে শুধু নিম্নচাপ
  • ১০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: জেলায় আমন ধান চাষে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে বৃষ্টি। এবছর এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়েছে।  ইতিমধ্যে জেলায় ১৮ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আর মাত্র ২ শতাংশ জমিতে বীজতলা তৈরি বাকি।  তবে, গত দু’ তিন দিনে নিম্নচাপের বৃষ্টি  ভাবাচ্ছে চাষিদের। উৎকণ্ঠায় রেখেছে তাঁদের। কেননা, ভারী বৃষ্টিতে বহু বীজতলা জলের তলায়। এরপর আরও বৃষ্টি হলে সেইসব বীজতলা বাঁচানো কষ্টসাধ্য ব্যাপার বলে অনেক  আমনচাষি মনে করছেন। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এবছর বৃষ্টিপাতস্বাভাবিক হওয়ায় বীজতলার পাশাপাশি জমি তৈরিও অনেকটাই সহজ হয়ে উঠেছে। বীরভূম জেলার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটতে শুরু করেছে। খুশি জেলার কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরাও। তাঁদের কথায়, এবছর বৃষ্টি সহায়ক হওয়ায় আমনের ভালো ফলনের আশা রয়েছে। জেলা কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এবছর বৃষ্টি নির্ধারিত সময়েই শুরু হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণও স্বাভাবিক।ফলে আমন ধান চাষে ক্ষতির কোনও সম্ভাবনা নেই। উল্টে এবছর আমন ধান চাষ অনেকটাই সহজ হয়ে উঠেছে। ভালো ফলনের আশা রয়েছে।  জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে মোট ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। জেলার তিন মহকুমার চাষিরা নির্দিষ্ট সময়েই বীজতলা তৈরির কাজে মন দিয়েছিলেন। বৃষ্টিপাত শুরু হতেই চাষিরা স্বস্তিতে। কারণ, এখনও পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিক। তথ্য বলছে, এমাসে এখনও পর্যন্ত ৮৮.০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। কৃষি আধিকারিকদের কথায়, এই বৃষ্টি আমন ধান চাষের ক্ষেত্রে খুবই সহায়ক হয়ে উঠেছে। মূলত যেসব এলাকা খরা প্রবণ এবং সেচের ব্যবস্থা নেই, সেসব এলাকার চাষিরা যথেষ্ট উপকৃত হয়েছেন। 

Advertisement

জেলার সিউড়ি সহ রামপুরহাট ও বোলপুর মহকুমাজুড়ে আমন ধানের চাষ হয়। তবে রামপুরহাট মহকুমায় তুলনামূলকভাবে চাষ বেশি হয়। জেলার রাজনগর ব্লকের চাষি অনন্ত মান্না বলেন, প্রায় ১০ বিঘা জমিতে এবছর ধান চাষ করছি। জৈষ্ঠ্য মাসের মাঝামাঝি সময় বীজতলা তৈরির কাজ শুরু করেছিলাম। এখন রোয়া বোনার কাজ চলছে। বৃষ্টির জন্য চাষে অনেকটাই সুবিধা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৩ বিঘা জমিতে রোয়া বোনার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আমাদের এলাকায় সেচের বন্দোবস্ত নেই। প্রতিবারই বৃষ্টির উপর ভরসা করে থাকতে হয়। এবছরও সেই আশাতেই চাষের কাজ শুরু করেছিলাম। তাতে হতাশ হতে হয়নি। আশা করছি ফলনওভালো হবে।  নিজস্ব চিত্র 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ