নির্মাল্য সেনগুপ্ত, রায়গঞ্জ: রেকর্ড সংখ্যায় আবেদন জমা পড়লেও রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকস্তরের বিভিন্ন বিভাগে এখনও ফাঁকা প্রায় ৮০০ আসন। সেই শূন্য আসন পূরণের জন্য চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকস্তরের ভর্তি প্রক্রিয়া। সম্প্রতি অনলাইনে জমা নেওয়া হচ্ছে ভর্তির আবেদন। শীঘ্রই সেই আবেদন জমা নেওয়ার পর্ব শেষ হতে চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ৭ নভেম্বরের মধ্যে স্নাতকস্তরে প্রথম সেমেস্টারের ভর্তিপর্ব সম্পন্ন করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, স্নাতকস্তরের বিভিন্ন বিভাগ মিলিয়ে সর্বমোট ২ হাজার ৪০০ আসন। তাতে ভর্তির জন্য গত ১৮ জুন থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে পোর্টাল চালু হয়। সেখানে ৬ জুলাই পর্যন্ত স্নাতকস্তরে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা থাকলেও রাজ্য সরকার ধাপে ধাপে ২৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়ায়। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কেন্দ্রীয় পোর্টালে রেকর্ড সংখ্যায় আবেদন জমা পড়ে। কিন্তু তা সত্ত্বেও স্নাতকস্তরে ভর্তি হয় ১ হাজার ৫৯৫ জন পড়ুয়া। ফাঁকা পড়ে থাকে প্রায় ৮০০ আসন। যদিও এরমধ্যে আর্থিকভাবে দুর্বল ও পিছিয়ে পড়া জাতি-উপজাতির জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে প্রায় ৫০০ টি। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা সুযোগ পাবেন ৩০০ টি আসনে। তারজন্য ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরমধ্যে চার বছরের জন্য স্নাতকস্তরের অনার্স ও অনার্সের সঙ্গে গবেষণার জন্য ২১ টি সাবজেক্ট রয়েছে। বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ফিলজফি, পলিটিক্যাল সায়েন্স ও সংস্কৃত অনার্সে ভর্তির সুযোগ থাকছে।
গণিত, ভূগোল, সমাজবিদ্যা, রসায়ন, কম্পিউটার সায়েন্স, বোটানি, মাইক্রো বায়োলজি, ফিজিক্স, সেরিকালচারের মতো বিভাগেও আসন ফাঁকা রয়েছে। এছাড়াও মর্নিং বিভাগে ৩ বছরের স্নাতকস্তরের কোর্সে ৫ সাবজেক্টে অনার্স পড়ানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউজি কাউন্সিলের সেক্রেটারি দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, কেন্দ্রীয় পোর্টাল থেকে পদ্ধতি মেনে ভর্তির পরেও স্নাতকস্তরে সাধারণ পড়ুয়াদের জন্য ৮০০ আসন ফাঁকা আছে। যদিও এরমধ্যে প্রায় ৫০০ টি আসন সংরক্ষিত। সেগুলিতে ভর্তির সংখ্যা নগন্য। সেগুলি পূরণের জন্য উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে নির্দেশ পেয়ে স্নাতকস্তর ভর্তি কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় ফের ভর্তি নেওয়ার। সেইমতো বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে। আমাদের ৭ নভেম্বরের মধ্যে ফাঁকা আসনগুলিতে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। শীঘ্রই আবেদনপত্র জমা নেওয়ার পর্ব সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে তিনি জানান। • ফাইল চিত্র।