প্রীতেশ বসু, কলকাতা: খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর কেটে গিয়েছে তিন দিন। ২৩ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে শুনানির পর্ব। নোটিশ পেলেই নথিপত্র সহ হাজির হয়ে নিজেকে বৈধ ভারতীয় ভোটার প্রমাণ করতে হবে। ভোটাধিকার বজায় রাখতে শুনানির সময় জমা দিতে হবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ঠিক করে দেওয়া ১৩টি নথি বা শংসাপত্রের মধ্যে যে কোনও একটি। এগুলির মধ্যে একটি হল সরকারি প্রকল্পের আওতায় বাড়ি তৈরির অনুদানের শংসাপত্র (হাউস অ্যালটমেন্ট সার্টিফিকেট বাই গভর্নমেন্ট)। পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্র এবং রাজ্যের প্রকল্প মিলিয়ে বাড়ি তৈরির অনুদান পাওয়া উপভোক্তার সংখ্যা প্রায় ৭৪ লক্ষ। ফলে এঁদের মধ্যে কারও শুনানিতে ডাক পড়লে তিনি নিজের ভোটাধিকার প্রমাণে অনায়াসে এই ‘হাউস অ্যালটমেন্ট সার্টিফিকেট’ দেখাতে পারবেন। কিন্তু এই সার্টিফিকেট মিলবে কীভাবে? মানুষকে সুরাহা দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই বন্দোবস্তই করেছে। এক ক্লিকে মিলছে আবাসের সার্টিফিকেট! শুক্রবারই পঞ্চায়েত দপ্তরের ওয়েবসাইটে একটি ‘লিঙ্ক’ দেওয়া হয়েছে। সেখানে ক্লিক করে সামান্য সময়ে একেবারে নির্ঝঞ্ঝাটে নামিয়ে নেওয়া যাচ্ছে শংসাপত্র। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই শংসাপত্রেই থাকছে কিউ আর কোড। ফলে এই শংসাপত্র জাল করা কোনওভাবেই সম্ভব নয় বলে দাবি প্রশাসনিক মহলের। কারণ, ওই কোড স্ক্যান করলেই শংসাপত্রে থাকা তথ্য মিলিয়ে নেওয়া হচ্ছে সরকারের তথ্য ভাণ্ডারের সঙ্গে। ফলে শংসাপত্রটি ‘বৈধ নয়’ বলে ফেলে দিতেও পারবেন না সংশ্লিষ্ট ইআরও বা এইআরও।



