নয়াদিল্লি: নেপালের সে-ফোকসুন্দো ন্যাশনাল পার্কে আটকে চার বাঙালি সহ ছ’জন ভারতীয়কে উদ্ধার করল নেপাল সরকার। সোমবার সকালে একটি হেলিকপ্টারের সাহায্যে তাঁদের ফিরিয়ে আনা হয়। প্রবল তুষারপাতের জেরে নেপালের সে-ফোকসুন্দো ন্যাশনাল পার্কে আটকে পড়েছিলেন ওই ছ’জন পর্যটক। গত ১ নভেম্বর থেকে তাঁদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না।
দোলপা জেলা পুলিশের মুখপাত্র তথা ইন্সপেক্টর বিনয় সিং জানিয়েছেন, ভারী তুষারপাতের কারণে ওই ছ’জন পর্যটককে সে-ফোকসুন্দো লেকে যেতে বারণ করেছিলেন নিরাপত্তরক্ষীরা। নিষেধ করেছিলেন নেপালি গাইডও। কিন্তু তাঁদের কথা না শুনেই ট্রেক শুরু করেন পর্যটকরা। মাঝপথে আটকে পড়েন তাঁরা। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাঁদের ফিরিয়ে আনতে উদ্ধারকারী দলের পাশাপাশি হেলিকপ্টারও পাঠানো হয়। এদিন সকালে একটি বেসরকারি হেলিকপ্টারে তাঁদের উদ্ধার করে আনা হয়। বর্তমানে তাঁরা দোলপা জেলার দুনের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানা গিয়েছে, নুমলা এবং ওয়াগলা পাসের কাছে বরফাবৃত একটি অংশে আটকে পড়েছিলেন পর্যটকরা।
এদিকে, উত্তরাখণ্ডের কেদারতাল যাওয়ার পথে তুষারধসের জেরে নিখোঁজ আট পর্যটক। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। গত ২৭ অক্টোবর গঙ্গোত্রী থেকে ১২ জনের একটি দল কেদারতালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। ২৯ অক্টোবর তাঁদের ফেরার কথা ছিল। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জেরে আটকে পড়েন তাঁরা। ইতিমধ্যে চারজন নিরাপদে ফিরে এসেছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে তল্লাশি চলছে গত তিনদিন ধরে। গত ৩০ অক্টোবর ট্রেকিং সংস্থার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে কাচ্চি ধাং এলাকায় নিরাপদে থাকার কথা জানিয়েছিলেন আটকে পড়া পর্যটকেরা। উদ্ধারের জন্য সাহায্যও চেয়েছিলেন তাঁরা। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তাপস বাউড়ি (৩০), রত্না ঘোষ (২৩), মনোজ খোভাস (৩৯), ঋতু মণ্ডল (৪০) এবং উদয় ঘোষ (৩০)। বাকিদের মধ্যে রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বর্তিকা ভার্মা ও দীপিকা ভার্মা এবং উত্তরকাশীর গাইড সিদ্ধার্থ রানা।



