নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: জোরকদমে চলছে ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচি। রাজ্য সরকার পাড়াভিত্তিক সমস্যার সমাধানে এই বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিটি বুথের জন্য বরাদ্দ ১০ লক্ষ টাকা। ইতিমধ্যেই ক্যাম্প ভিত্তিক বিভিন্ন প্রকল্প জেলাজুড়ে আসতে শুরু করেছে। যদিও এখনও অর্থ বরাদ্দ হয়নি। ফলে জেলাস্তরে ডিপিআরের পাহাড় জমতে থাকলেও রাজ্য সরকার কবে টাকা বরাদ্দ করে সেই দিকেই সকলে তাকিয়ে রয়েছেন।
‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচির প্রস্তাবিত কাজ আগামী বছরের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পূর্ণ করতে হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ক্যাম্প চলবে আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। সমস্ত মূল্যায়ন শেষ করতে হবে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে। তবে বুথ ভিত্তিক যেসব প্রকল্প নেওয়া হবে তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে এক সপ্তাহের মধ্যে জেলায় জমা দিতে হবে। কিন্তু, এ পর্যন্ত সব ঠিকঠাক থাকলেও শঙ্কা অর্থ বরাদ্দ নিয়ে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, সমাধানের নির্দিষ্ট সময়সীমা আগেই বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, টাকা কবে আসবে জানি না। তাই আমরা শুধুমাত্র ডিপিআর করেই জেলায় পাঠাচ্ছি। কবে অর্থ বরাদ্দ হবে, এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।
নদীয়া জেলায় মোট ১৭৮০টি ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ ক্যাম্প আয়োজিত হওয়ার কথা। রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৫৮০টি ক্যাম্প হয়ে গিয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৩০ শতাংশের কাছাকাছি। জোরকদমে বাকি ক্যাম্প করাই আপাতত প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। কারণ এর মাঝে দুর্গাপুজো রয়েছে। ফলে বেশ কিছুদিন এই কর্মসূচি ব্যাহত হতে পারে।
অতিরিক্ত জেলাশাসক অনুপকুমার দত্ত বলেন, কবে অর্থ বরাদ্দ হবে তার সুনির্দিষ্ট তারিখ আমরা জানি না। যেমন পথশ্রী প্রকল্পে ডিপিআর টেন্ডার হওয়ার পর টাকা আসে। এক্ষেত্রেও তাই হবে।
নদীয়ার জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ, এখন সর্বত্রই ক্যাম্প চলছে। সব জায়গায় ক্যাম্প হওয়ার পর হয়তো একত্রে ফান্ড বরাদ্দ হবে। তবে আমরা সমস্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে রাখছি। ডিপিআর আসছে এবং সেগুলি টেন্ডার করার জন্য পাঠানো হচ্ছে। নদীয়া জেলায় মোট ১৭৮০টি ক্যাম্প হওয়ার কথা। যার এখনও পর্যন্ত ৫৮০টি ক্যাম্প হয়েছে। সময়মতোই অর্থ বরাদ্দ হবে। -নিজস্ব চিত্র