Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দিল্লিতে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু মুর্শিদাবাদের ৪ বাসিন্দার, বিমানে করে মৃতদেহ ফেরানোর ব্যবস্থা

দিল্লিতে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হল একই পরিবারের চার সদস্যের। মুর্শিদাবাদের নওদার বাসিন্দা রবিউল শেখ ও তাঁর মেয়ে রুকসানা খাতুন, রবিউলের ভাইয়ের বউ রুবিনা বিবি ও তাঁর এক মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।

দিল্লিতে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু মুর্শিদাবাদের ৪ বাসিন্দার, বিমানে করে মৃতদেহ ফেরানোর ব্যবস্থা
  • ১১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: দিল্লিতে দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হল একই পরিবারের চার সদস্যের। মুর্শিদাবাদের নওদার বাসিন্দা রবিউল শেখ ও তাঁর মেয়ে রুকসানা খাতুন, রবিউলের ভাইয়ের বউ রুবিনা বিবি ও তাঁর এক মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ঘটনার খবর পেয়েই দিল্লির এইমস হাসপাতালে পৌঁছন মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরের দুই সাংসদ আবু তাহের খান ও খলিলুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিমানে করে দেহ ফেরানোর ব্যবস্থা করেছেন তাঁরা। 

Advertisement

মৃত্যু খবর গ্রামে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন। ফোনে তাদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করেন সাংসদরা। তাঁরা বলেন, দেওয়াল চাপা পড়ে নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে প্রথম থেকেই আছে রাজ্য সরকার ও পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড। মৃত শ্রমিকদের দেহের ময়নাতদন্তের সময়ে আমরা ছিলাম। শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা রাজ্য সরকারের তরফে নেওয়া হয়েছে। আজ ময়নাতদন্ত শেষে দেহগুলি বিমানে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে মৃতদেহগুলি গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হবে।
খলিলুর বলেন, স্বজনহারাদের পাশে সর্বদা পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন। স্বজনহারাদের আন্তরিক সমবেদনা  জানাই। আবু তাহের বলেন, মৃতদেহের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের আর চারজনের বিমানে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেছে রাজ্য সরকার। ওরা আমাদের এলাকার লোক। তাই খবর পেয়েই ছুটে এসেছি।  মৃতের পরিবারের দাবি, জীবিকার সন্ধানে দিল্লিতে গিয়েছিল দুই ভাই।সপরিবারেই সেখানে থাকত। গত কয়েক দিন ধরে দিল্লিতে খুব বৃষ্টি হচ্ছিল। একটা ছোট্ট বাড়িতে দু’টি ঘরভাড়া নিয়ে থাকত তারা। বৃষ্টির জেরে সেই বাড়ির দেওয়াল ধসে গিয়ে একসঙ্গে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিজনেরা বলেন, দেহ বাড়ি ফেরানোর জন্য রাজ্য সরকার এবং জেলার সাংসদরা পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে পরিবারগুলি কীভাবে চলবে জানি না। উপার্জনের জন্য যদি কোনও সাহায্য করা যায়, সেই আবেদন থাকবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ