Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বীরভূম জেলায় আরও ৪টি নতুন দমকল কেন্দ্র

জেলায় আরও চারটি নতুন দমকল কেন্দ্র গড়ে তুলতে উদ্যোগী সরকার। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই লাভপুরের দমকল কেন্দ্রের জন্য কাজের নির্দেশ দিয়েছে।

বীরভূম জেলায় আরও ৪টি নতুন দমকল কেন্দ্র
  • ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, সিউড়ি: জেলায় আরও চারটি নতুন দমকল কেন্দ্র গড়ে তুলতে উদ্যোগী সরকার। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই লাভপুরের দমকল কেন্দ্রের জন্য কাজের নির্দেশ দিয়েছে। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, নলহাটির দমকল কেন্দ্রের টেন্ডার করা হয়েছে। এই চারটি দমকল কেন্দ্র তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরা আরও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারবেন। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমবে বলে দাবি প্রশাসনের কর্তাদের।

Advertisement

জেলা দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় পাঁচটি স্থায়ী দমকল কেন্দ্র রয়েছে। তিন মহকুমা শহর এবং সাঁইথিয়া ও দুবরাজপুরে দমকল কেন্দ্রগুলি রয়েছে। এছাড়া, তারাপীঠে একটি অস্থায়ী দমকল কেন্দ্র রয়েছে। এবার নলহাটি, লাভপুর, মুরারই ও তারাপীঠে নতুন চারটি দমকল কেন্দ্র তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়েছে। কাজের গতি নিয়ে দিনকয়েক আগে জেলা পরিষদের বৈঠকে আলোচনাও হয়েছে। চারটি কেন্দ্রের কাজ সম্পন্ন হলে জেলায় দমকল পরিষেবা আরও উন্নত হবে।
জেলা পরিষদ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই লাভপুরের দমকল কেন্দ্র নির্মাণের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে কাজের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। গত ১৪ নভেম্বর রাজ্যের তরফে ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লাভপুরের বাকুল এলাকায় ওই কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। জানা গিয়েছে, দু’দফায় চারতলা ভবন তৈরি হবে। প্রায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা খরচে প্রথম দফায় দ্বিতলা ভবন তৈরি করা হবে। তারপরেই সেটির উদ্বোধন করা হবে। পরবর্তীতে সেটিকে চারতলা ভবনে রূপান্তরিত করা হবে। 
লাভপুর, নানুর, ময়ূরেশ্বর-১ ও ২, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম-১ ও ২, মুর্শিদাবাদের বড়ঞা এবং ভরতপুর–এই আটটি ব্লক লাভপুরের ওই দমকল কেন্দ্রের অধীনে থাকছে। লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ বলেন, চারতলা ভবন বিশিষ্ট দমকল কেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দিনকয়েক আগেই আমি এবং জেলাশাসক জায়গা পরিদর্শন করে এসেছি। কাজের নির্দেশও দিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার।
নলহাটিতেও দমকল কেন্দ্র তৈরি করা হবে। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই নলহাটির দমকল কেন্দ্রের টেন্ডার করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক সংলগ্ন সিএডিসি মোড়ে সেটি তৈরি হবে। এছাড়া, মুরারই বিধানসভা এলাকার পাইকরে দমকল কেন্দ্র তৈরি করা হবে। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাইকরে যেখানে কেন্দ্রটি হওয়ার কথা, সেটি সেচদপ্তরের জায়গা ছিল। তবে, জমিটি ইতিমধ্যেই হস্তান্তর করে ডিপিআর তৈরির কাজ চলছে। তারাপীঠেও জায়গা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন ড্রয়িং এবং ডিপিআর তৈরির কাজ চলছে। এবিষয়ে জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, এই চারটি দমকল কেন্দ্র চালু হলে জেলায় অগ্নিকাণ্ড দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দমকল কর্মীদের কম সময় লাগবে। তাতে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা কমবে। • সিউড়ির দমকল কেন্দ্র। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ