নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: সোমবার রাতে দুর্গাপুরে মহিলার হার ছিনতাইয়ের ঘটনার কিনারা করল পুলিস। চার দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ছিনতাই হওয়া হারটিও উদ্ধার হয়েছে। পুলিসি তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ব্যবসায় হওয়া লোকসানের ক্ষতিপূরণ করতেই ছিনতাইয়ে নেমেছিল এক ব্যবসায়ী। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরো গ্যাংয়ের মাস্টারমাইন্ড মুন্সি সাবির আলম। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে তার বড় পারিবারিক ব্যবসা রয়েছে। সে একাধিক ডাম্পারের মালিক। নিজের চারচাকা গাড়ি নিয়েই সে দুর্গাপুরে ছিনতাই করতে এসেছিল। সঙ্গে ছিল তার তিন সাগরেদ। এদের মধ্যে কেউ তাদের পারিবারিক গাড়ি চালক, কেউবা বন্ধু। বাকি তিন অভিযুক্ত হল সুব্রত সিং, তুফান মণ্ডল ও জাকির খালিফা।
জেরার সময় অভিযুক্ত সাবির পুলিসকে জানিয়েছে, ব্যবসায় লোকসান মেটানোর জন্যই সে এই পথে নামে। সোমবার রাতে দুর্গাপুরের সিটিসেন্টারে বিদিশা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে এক যুবতীর হার ছিনতাই হয়। দুই দুষ্কৃতী তাঁর কাছ থেকে হার ছিনতাই করে পালানোর সময় স্থানীয়রা একজনকে ধরে ফেলেন। ধৃত সুব্রত সিংকে পুলিসের হাতে তুলে দেয় জনতা। তাকে জেরা করে পুলিস গোটা গ্যাংয়ের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারে। মঙ্গলবার ভোররাতেই পুলিস খণ্ডঘোষে হানা দেয়। ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত সাবিরের গাড়ির হদিশও পেয়ে যায়। পেল্লাই বাড়ি থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদেরও একে একে নিজেদের জালে তোলেন তদন্তকারীরা।
এদিন ডিসি অভিষেক গুপ্তা সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আমরা চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি। পুজো আসছে, আমরা বাড়তি নজরদারি করছি। সাধারণ মানুষকেও আরও সতর্ক থাকতে হবে।