নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: উদ্বোধনের কিছুদিনের মধ্যেই বাঁকুড়া জেলা পরিষদের তিনটি ওয়াটার এটিএম বিকল হয়ে পড়েছে। বাঁকুড়া জেলা কালেক্টরেট চত্বরে ওয়াটার এটিএমগুলি রয়েছে। জল না পেয়ে কালেক্টরেট চত্বরে আসা লোকজন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: উদ্বোধনের কিছুদিনের মধ্যেই বাঁকুড়া জেলা পরিষদের তিনটি ওয়াটার এটিএম বিকল হয়ে পড়েছে। বাঁকুড়া জেলা কালেক্টরেট চত্বরে ওয়াটার এটিএমগুলি রয়েছে। জল না পেয়ে কালেক্টরেট চত্বরে আসা লোকজন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায় বলেন, ওয়াটার এটিএমগুলির নির্দিষ্ট বাক্স কয়েনে ভর্তি হয়ে গিয়েছে। বাক্স ভর্তি হওয়ার কারণে জল বের হচ্ছে না। আমি বিষয়টি জানার পর রূপায়ণকারী সংস্থার লোকজনকে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছি। দ্রুত সমস্যার সুরাহা হয়ে যাবে বলে আশা করছি। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরে রাজ্য অর্থ কমিশনের তহবিল থেকে ওয়াটার এটিএমের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয়। সৌরচালিত সাবমার্সিবল সহ ওয়াটার এটিএম পিছু প্রায় ৮ লক্ষ টাকা করে খরচ হয়। পাঁচমাস আগে সেগুলি বসানোর কাজ শুরু হয়। জেলা পরিষদ ভবনের সামনে ও পিছনের দিকে কোর্ট কম্পাউন্ড চত্বরে দু’টি ওয়াটার এটিএম বসেছে। কালেক্টরেট চত্বরেই বাঁকুড়ার ট্রেজারি অফিস সংলগ্ন রাস্তার পাশে অন্য এটিএমটি বসানো হয়েছে। কিছুদিন আগে সেগুলির উদ্বোধন করা হয়। ওয়টার এটিএমে ঠান্ডা ও নর্মাল জল পাওয়ার জন্য দু’টি পৃথক নল বা পাইপ রয়েছে। নির্দিষ্ট জায়গায় কয়েন ফেলে জল সংগ্রহ করা যায়। প্রতি লিটার জলের জন্য এক টাকা করে দিতে হচ্ছে। এক দফায় এক, দুই ও পাঁচ লিটার জল সেখান থেকে পাওয়া যাবে বলে এটিএমের গায়ে লেখা আছে। বৃহস্পতিবার কালেক্টরেট চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, ট্রেজারি ভবন ও কোর্ট কম্পাউন্ডের এটিএমে জল বের হচ্ছে না। ওই জায়গায় ধুলো জমে গিয়েছে। বেশ কিছু দিন ধরেই এটিএম দু’টি বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে বলে আশপাশের দোকানদার, কালেক্টরেট চত্বরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা জানান। জেলা পরিষদ ভবনের সামনে থাকা এটিএমে নর্মাল জলের কল বিকল হয়ে পড়েছে। তা ধুলোয় ভরে গিয়েছে।
সিমলাপালের বাসিন্দা অনিমা পাত্র, বাঁকুড়া শহরের স্বরূপ সরকার বলেন, এদিন আমরা জেলা পরিষদের ওয়াটার এটিএমে গিয়ে জল পাইনি। সেখানে এক টাকায় এক লিটার জল পেতাম। • বিকল ওয়াটার এটিএম। -নিজস্ব চিত্র