নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে একাধিক খাতে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে মোদি সরকার। বিধানসভা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একথা একাধিকবার বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘১০০ দিনের কাজ’-এর টাকা এভাবে দিনের পর দিন আটকে রাখা যা না বলে মন্তব্য করে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টও জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ১ আগষ্ট থেকে এই খাতের টাকা দেওয়া শুরু করতে হবে। কিন্তু ক্রীড়া, পানীয় জল সরবরাহ, ভাঙন রোধ, বাঁধ মেরামত, নারী ও শিশু কল্যাণ থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে বঞ্চনার তালিকা দীর্ঘ। এসব ইস্যুতে এদিন বিধানসভায় এক যোগে সরব হলেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী। ক্রীড়া ক্ষেত্রে রাজ্যকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পানীয় জল সরবরাহ নিয়ে সুর সপ্তমে তোলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়। ভাঙন রোধের টাকা না দেওয়ার অভিযোগে সোচ্চার হন রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (সাই) চালায় কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক। উত্তরবঙ্গে অ্যাথলেটিক্স, তিরন্দাজি, ফুটবল, টেবল টেনিস, হকির পরিকাঠামো তৈরি করে ২০১৬ সালে তা সাই-কে হস্তান্তর করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর জন্য জমি বাবদ রাজ্য সরকারের খরচ হয়েছিল ৫০ কোটি টাকা। আজকে সেই জমির মূল্য ৮১ কোটি টাকা। মোট খরচ হয়েছে ১৩০ থেকে ১৪০ কোটি টাকা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হল, জায়গাটি অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে। বাংলার খেলোয়াড়রা বঞ্চিত হচ্ছেন।’



