সংবাদদাতা, বর্ধমান: নাবালিকার শ্লীলতাহানির পৃথক তিনটি মামলায় ৭১ বছরের বৃদ্ধ সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। ধৃতের নাম হাফিজুর রহমান মণ্ডল। তার বাড়ি মেমারি থানার কিঙ্করপুরে। শনিবার দুপুরে চাঁচাই থেকে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাড়ি মেমারি থানা এলাকায়। শনিবার দুপুরে ঠাকুমা ও কাকিমার সঙ্গে চাঁচাইয়ে একটি ব্যাঙ্কের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যায়। ওই নাবালিকা গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের পাশেই একটি সোনার দোকানের সামনে দাঁড়িয়েছিল। দোকান থেকে হাফিজুর নাবালিকাকে ডাকে। সরল মনে নাবালিকা দোকানে গেলে হাফিজুর তার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। ঘটনার কথা কাউকে না জানানোর জন্য নাবালিকাকে বলে। নাবালিকার মুখ বন্ধ করতে একটি রুপোর চেনও দেয়। কিন্তু ওই নাবালিকা বাড়ির লোকজনকে ঘটনাটি জানায়। এরপর পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। আর এক কিশোরীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে ৭১ বছরের বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানারই পুলিস। ধৃতের নাম শঙ্করপ্রসাদ সিং। তার বাড়ি ওই থানার সুলতানপুরে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা শনিবার বিকেলে বাড়ির সামনে রাস্তায় সাইকেল চালাচ্ছিল। ওই বৃদ্ধ কিশোরীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। টিউশন যাওয়ার নাম করে সেখান থেকে পালিয়ে আসে ওই কিশোরী। কাউকে না জানানোর জন্য কিশোরীকে টাকার লোভ দেখানো হয়। বাড়ি ফিরে ওই কিশোরীর পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানালে থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। ধৃতের নাম আশিস মাইতি। মেমারি থানার উলারাগড়ে তার বাড়ি। রবিবার পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস জানিয়েছে, ওই নাবালিকা রসুলপুরে টিউশন পড়তে যায়। কিছুদিন ধরেই ওই কিশোরীকে ফলো করছিল আশিস। বৃহস্পতিবার রাতে টিউশন পড়ে ফেরার সময় আশিস নাবালিকাকে আটকে তার মোবাইল কেড়ে নিয়ে নিজের মোবাইলে ফোন করে নম্বর নেয়। এরপর নাবালিকাকে ফোন করে উত্যক্ত করছিল। শনিবার রাতে ওই নাবালিকার দাদা সহ কয়েকজন আশিসকে সতর্ক করতে গেলে তাদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরই নাবালিকার পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।



