সংবাদদাতা, কান্দি: সালারে নাবালিকাকে গণধর্ষণের ঘটনায় এখনও অধরা তিন অভিযুক্ত। তাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সরব বাসিন্দারা। ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কান্দির এসডিপিও শাশ্রেক আম্বারদার বলেন, পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেফতারের সব ধরনের চেষ্টা চলছে। এলাকায় পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় সিসি ক্যামেরায় নজরদারিও চালানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত একমাসে মুর্শিদাবাদ জেলায় তিনটি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটল। বহরমপুর মহিলা থানায় একটি গণধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ দুই মহিলাকে গ্রেফতার করে। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েনি। পুজোর সময় বহরমপুর থানা এলাকায় আরও একটি গণধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে। এরপর সোমবার রাতে সালারে গণধর্ষণের ঘটনার পর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ওই রাতে সালারের ১৪ বছরের এক নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। তবে বাকি তিন অভিযুক্ত পলাতক। সালার অফিসপাড়ার এক শিক্ষক বলেন, ওই ঘটনার পর আমরা খুব আতঙ্কে রয়েছি। বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরের মতো পরিবেশ এখন সালারের গ্রামেও তৈরি হয়েছে। এলাকায় রেস্তরাঁর সংখ্যা বেড়েছে। সন্ধ্যার পর নাবালিকারা বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে, রেস্তরাঁয় গিয়ে বিপদ ডেকে আনছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা মহম্মদ আজাহারউদ্দিন বলেন, সালারের গণধর্ষণের ঘটনায় আমরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। অভিযুক্তরা স্থানীয় এক প্রভাবশালীর ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। তবে নাবালিকার পরিবারদেরও সতর্ক থাকতে হবে। বুধবার বিকেলে সিপিএমের একটি প্রতিনিধি দল নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে সালার থানায় গিয়ে বাকি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানায়। সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য গোলাম মওলা বলেন, সালার বাহান্নর ভাষা শহিদ আবুল বরকতের এলাকা। সেই এলাকা কলঙ্কিত হয়েছে। যা আমাদের লজ্জা। আমরাও আতঙ্কিত।