Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুই ২৪ পরগনা: ৯০ শতাংশেরও বেশি নম্বর পেয়েছেন ১২০০ জন

দুই ২৪ পরগনা: ৯০ শতাংশেরও বেশি নম্বর পেয়েছেন ১২০০ জন
  • ৮ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: পাশের হারে একটি জেলা রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় এবং অন্যটি চতুর্থ স্থানে। সেই উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকেই উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ১১ জন কৃতী ছাত্রছাত্রী। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন আবার মাধ্যমিকেও র‌্যাঙ্ক করেছিলেন। তার থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই দুই জেলা মিলিয়ে ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১,১৮৩ জন। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় ৬২৬ জন এবং দক্ষিণে রয়েছেন ৫৫৭ জন। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের বিচারে তাঁরা প্রত্যেকেই ‘ও’ গ্রেড প্রাপক।

Advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে এবার মোট সাতজন মেধা তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। যার মধ্যে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন থেকে রয়েছে চারজন। এই জেলায় এবার পাশের হার ৯৩.২১ শতাংশ। সোনারপুর বিদ্যাপীঠের তন্ময় পতি ৪৯৩ নম্বর পেয়ে জেলায় প্রথম হয়েছেন। রাজ্যে তাঁর র‌্যাঙ্ক পঞ্চম। মাধ্যমিকে তিনি সপ্তম হয়েছিলেন। তন্ময় বলেন, ডাক্তারি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য পরীক্ষা দিয়েছি। সারদা বিদ্যাপীঠের ওম কুণ্ডু ৪৯০ নম্বর পেয়ে যুগ্মভাবে অষ্টম হয়েছেন। বই পড়া ও খেলাধুলোই তাঁর বেশি পছন্দ। আগামী দিনে চিকিৎসক হওয়ার ইচ্ছা ওমের। সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যালয়ের পবিত্র মণ্ডল ৪৮৯ নম্বর পেয়ে রাজ্যে নবম হয়েছেন। কাকদ্বীপের একটি কোচিং সেন্টারের হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করেছেন তিনি। ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চান পবিত্র। তবে দারিদ্র্যই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উত্তর ২৪ পরগনায় এবার পাশের হার ৯৩.৫৩ শতাংশ। অশোকনগর ও বসিরহাট থেকে যুগ্মভাবে নবম স্থান পেয়েছেন অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি হাইস্কুলের তনয় টিকাদার এবং বসিরহাট টাউন হাই স্কুলের ছাত্র অর্ক মণ্ডল। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯। এই দুই কৃতী মাধ্যমিকেও প্রথম দশে ছিলেন তাঁরা। তনয় সেবার দশম এবং অর্ক তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন। তনয়ের ইচ্ছা আমলা হওয়ার। আপাতত ভূগোল অনার্স নিয়ে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। আর্থিক অনটনের জেরে ছেলের ইচ্ছা পূরণ কীভাবে হবে, তা নিয়েই চিন্তিত তনয়ের বাবা।
অর্ক চান ডাক্তার হতে। তিনি বলেন, চিকিৎসক হিসেবে গ্রামের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। এই জেলা থেকেই মেধা তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ হোম হাইস্কুলের ছাত্র রূপাঞ্জন সরকার। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২। তাঁরও লক্ষ্য ডাক্তার হওয়া। পড়ার পাশাপাশি তিনি গানও শেখেন। পড়ার ফাঁকে দু’কলি গান যেমন তাঁকে শান্তি দেয়, তেমনই অবসরে মাঠ দাপিয়ে ক্রিকেট ও ফুটবলও খেলেন। নিমতার উদয়পুর হরদয়াল নাগ আদর্শ বিদ্যালয়ের ছাত্রী নবমিতা কর্মকার নবম হয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯০। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি পরিবার। নবমিতা আগামী দিনে অধ্যাপিকা হতে চান। নদীয়া জেলায় প্রথম তথা রাজ্যে নবম স্থান পেয়েছেন চাকদহ রামলাল অ্যাকাডেমির ছাত্র সায়ক বিশ্বাস। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯। সায়ক ডাক্তার হতে চান।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ