Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রঘুনাথগঞ্জে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ২১৫টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ, গ্রেপ্তার তিন

তিন ভাই মিলে মুকুন্দপুরে চিটিং মোড়ে একটি ব্যাঙ্কের সিএসপি চালাত বলে জানা গিয়েছে।

রঘুনাথগঞ্জে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ২১৫টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ, গ্রেপ্তার তিন
  • ৩ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: একাধিক ভুয়ো লক্ষীর ভাণ্ডারের অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগে রঘুনাথগঞ্জের তিন ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে ডায়মন্ড হারবার পুলিস জেলার অধীন মহেশতলা থানার পুলিস। ধৃতদের নাম সইদুল ইসলাম, সফিকুল ইসলাম ও ওবাইদুর রহমান। ধৃতদের বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ থানার মিঠিপুর পঞ্চায়েতের পানানগর গ্রামে। তিন ভাই মিলে মুকুন্দপুরে চিটিং মোড়ে একটি ব্যাঙ্কের সিএসপি চালাত বলে জানা গিয়েছে। এই সিএসপিতেই ২১৫টি ভুয়ো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অ্যাকাউন্টের হদিস মিলেছে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ভুয়ো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের চক্রে জড়িত রয়েছে রঘুনাথগঞ্জের আরও দুই যুবক। তারাই চক্রের মূল পান্ডা বলে অনুমান পুলিসের।

Advertisement

রঘুনাথগঞ্জ থানার এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, মহেশতলা থানার পুলিস ঘটনাটির তদন্ত করছে। তারা এখানে কিছু ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। রঘুনাথগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের বিডিও দেবোত্তম সরকার বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। এই ব্যাপারে কিছু বলতেও পারব না। জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার ভোররাতে মিঠিপুরের পানানগরে আজহার শেখের বাড়িতে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে হানা দেয় মহেশতলা থানার পুলিস। পরিবারের সকলেই তখন ঘুমোচ্ছিল। একটি বাড়িতে দুই ভাই ও পাশের একটি বাড়িতে অন্য এক ভাই ঘুমিয়েছিল। পুলিস তিন ভাইকেই গ্রেপ্তার করে কলকাতায় নিয়ে যায়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। 
অভিযোগ, ধৃত তিন ভাই এলাকার বাসিন্দাদের একাধিক অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাইয়ে দেওয়ার টোপ দেয়। এমনকী পুরুষদেরও তারা এই অফার দেয়। তাতে অনেকেই রাজি হয়ে যান। তাদের থেকে কাগজপত্র সংগ্রহ করে রঘুনাথগঞ্জের কাঁকুড়িয়ার এক যুবকের মারফত ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলাত। সেই যুবক একশ্রেণির অসাধু কর্মীকে হাত করে অ্যাকাউন্ট খুলিয়ে দিত। সেই সমস্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ধৃতদের সিএসপি থেকেই। এরকম ২১৫টি বেআইনি অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে পুলিস। সরকারি প্রকল্পের দুই লক্ষেরও বেশি টাকা এই অ্যাকাউন্টগুলোতে ঢুকত। এই অর্থ কে বা কারা পেয়েছে, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিস।
মিঠিপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উমর শেখ বলেন, যতদুর জেনেছি অসৎ ভাবে সরকারি প্রকল্পে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। এই কাজে বড় চক্র আছে বলেই আমার অনুমান।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ