Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম দিনে পড়ল ২০ উইকেট

সিরিজের ফয়সালা আগেই হয়ে গিয়েছে। দুই টেস্ট বাকি থাকতে অ্যাসেজ জয় নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে বাকি দুই টেস্ট নিয়মরক্ষার।

বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম দিনে পড়ল ২০ উইকেট
  • ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মেলবোর্ন: সিরিজের ফয়সালা আগেই হয়ে গিয়েছে। দুই টেস্ট বাকি থাকতে অ্যাসেজ জয় নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে বাকি দুই টেস্ট নিয়মরক্ষার। তবুও আশ্চর্যজনকভাবে বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম দিনেই মাঠে হাজির প্রায় সাড়ে তিরানব্বই হাজার দর্শক। সাক্ষী থাকলেন বাইশ গজে বোলারদের বিধ্বংসী তাণ্ডবের। প্রথম দিনেই পড়ল কুড়ি উইকেট, যা রেকর্ড! এমসিজি’তে টস হেরে ব্যাট করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ১৫২। জবাবে ইংল্যান্ড শেষ ১১০ রানে। দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে অজিদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৪ রান। অর্থাৎ, অ্যাসেজের চতুর্থ টেস্টে আপাতত ৪৬ রানের লিড নিয়েছে হোমটিম। ০-৩ পিছিয়ে থাকা বেন স্টোকস বাহিনীকে দেখাচ্ছে চাপে। পাঁচ টেস্টের সিরিজে তাদের হোয়াইটওয়াশের আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে।

Advertisement

এই প্রথম বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম দিনে ৭৬.১ ওভারে পড়ল ২০ উইকেট। ১৯৯৮ সালে এখানে পড়েছিল ১৮ উইকেট। তবে কোনও টেস্টের প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি উইকেট পড়ার রেকর্ড অবশ্য অনেক পুরনো। ১৮৮৮ সালে লর্ডসে অ্যাসেজের পয়লা দিনে পড়েছিল ২৭ উইকেট। সেটা অক্ষত থাকলেও প্রশ্নের মুখে এমসিজি’র এবারের পিচ। অ্যাসেজে ক্রমাগত হারতে থাকা ইংল্যান্ড এমনিতেই রয়েছে সমস্যায়। ১১ দিনের মধ্যে তিনটি টেস্ট খুইয়েছে তারা। প্রশ্নের মুখে দলীয় শৃঙ্খলাও। অতিরিক্ত মদ্যপানের অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে চলছে তদন্ত। এই আবহেই চতুর্থ টেস্টে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। সকালটা দেখে মনে হয়েছিল টনক নড়েছে তাদের। ৩৪ রানের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার তিন উইকেট ফেলে দেন জস টং, গাস অ্যাটকিনসনরা। ফিরে যান ট্রাভিস হেড (১২), জেক ওয়েদারল্যান্ড (১০) ও মার্নাস লাবুশানে (৬)। এরপর টংয়ের বলে ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথের (৯) মিডল স্টাম্প উড়ে যায়। উসমান খাওয়াজা (২৯) ও অ্যালেক্স কেরি (২০) ফেরার সময় স্কোর ছিল ৯১-৬। এরপর সপ্তম উইকেটে ৫২ রান যোগ করেন ক্যামেরন গ্রিন (১৭) ও মাইকেল নেসের (৩৫)। কিন্তু গ্রিন রান আউট হতেই শেষ ইনিংস। ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে দাপট দেখান টং। মাত্র ৪৫ রানে পাঁচ উইকেট নেন তিনি। 
অস্ট্রেলিয়ার নেসের আবার হয়ে ওঠেন টংয়ের জবাব। তাঁর চার উইকেট আসে ৪৫ রানের বিনিময়ে। স্কট বোল্যান্ড (৩-৩০), মিচেল স্টার্ক (২-২৩), গ্রিনরা (১-০) উইকেট ভাগ করে নেন। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বাধিক ৪১ করেন হ্যারি ব্রুক। গাস অ্যাটকিনসনের সংগ্রহ ২৮। জো রুট (০), জেকব বেথেল (১), বেন ডাকেট (২), জেমি স্মিথ (২),  জ্যাক ক্রলি (৫), উইল জ্যাকস (৫), ক্যাপ্টেন স্টোকস (১৬)— সকলেই ব্যর্থ।
শুক্রবার এমসিজি’তে এসেছিলেন ৯৩,৪৪২ দর্শক। আর তাতেই নজির স্থাপিত হল ক্যাঙারুর দেশে। এর আগে এই মেলবোর্নেই ২০১৫ ওডিআই বিশ্বকাপের ফাইনালে ৯৩,০১৩ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। সেই রেকর্ড এদিন ভেঙে গেল। তবে কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বাধিক দর্শক সমাগমের মুকুট আজও ইডেন গার্ডেন্সের দখলে। ১৯৯৮-৯৯ মরশুমে ভারত-পাক টেস্টের এক দিন লক্ষাধিক দর্শক হাজির ছিলেন গঙ্গাপাড়ের নন্দন কাননে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ