নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলায় ৫৮৯৫টি বুথে বিএলও নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে, এখনও ২০ জনের ঘাটতি আছে। প্রতিটি বুথের জন্য বিএলওদের নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ৭৮জন বিএলও অনুপস্থিত ছিলেন। কমিশন কড়া নির্দেশিকা জারি করতেই ৫৮জন বিএলও যোগদান করেন। এখনও ২০ জন কাজে যোগ দেননি। কেন তাঁরা যোগ দিচ্ছেন না, তা তাঁদের জানাতে হবে। তবে, বিডিওরা এই ঘাটতি মেটাতে অতিরিক্ত বিএলও জোগাড় করছেন। শনিবার বিএলওদের ট্রেনিং দেওয়া হয়।
অতিরিক্ত জেলাশাসক(সাধারণ) দীননারায়ণ ঘোষ বলেন, বিএলওদের ট্রেনিং হচ্ছে। আমাদের জেলায় খুব একটা ঘাটতি নেই। প্রথমে ৭৮ জন বিএলও কাজে যোগ দেননি। এখন সেই সংখ্যাটা মাত্র ২০ জনে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। আমরা বিকল্প বন্দোবস্ত করছি। কেন তাঁরা অনুপস্থিত থাকলেন, সেটা তাঁদের জানাতে হবে। মেডিকেল ছাড়া অন্য কোনও কারণ গ্রাহ্য হবে না। পাশাপাশি, রাজনৈতিক দলগুলি বিএলএদের তালিকা দেবে।
মুর্শিদাবাদ জেলায় ৫৮৯৫টি বুথে বিএলওরা প্রত্যেক ভোটারের বাড়ি বাড়ি একটি করে ফর্ম পৌঁছে দেবেন। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুসারে প্রত্যেক ভোটারকে তা ফিলআপ করে জমা দিতে হবে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁদের ২০০২ সালের তালিকার পাশাপাশি ২০২৫ সালের তালিকাতেও নাম আছে, তাঁদের সকলকেই এই ফর্ম পূরণ করে জমা দিলেই হবে।
তবে যাঁদের নাম বা তথ্যের সঙ্গে ২০০২ সালের তালিকায় মিল নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে কমিশন নথি জমা নেবে। এই কাজের জন্য প্রশাসন আগেই ৫৮৯৫ জন বিএলও’র ট্রেনিং করিয়ে দিয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে কয়েকজনের ঘাটতি মেটাতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন।
ম্যাপিং অনুযায়ী মুর্শিদাবাদে ২০০২ সালের ও বর্তমান ভোটার তালিকার মধ্যে মিল খুঁজে দেখা হয়েছে। সেখানে মুর্শিদাবাদ জেলার প্রায় ৪৮ শতাংশ ভোটারের তথ্যের মিল নেই। এই ৪৮ শতাংশের মধ্যে অধিকাংশের নামের সঙ্গে পদবির মিল পায়নি কমিশন। বিএলওরা সেগুলি ফর্ম ফিলআপের সময় খতিয়ে দেখবেন। তবে, বেশকিছু এলাকায় নিরাপত্তাজনিত সমস্যা হতে পারে বলে বিএলওরা আতঙ্কে আছেন। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার জন্য তাঁরা প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছেন। - ফাইল চিত্র