Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পরিকাঠামো উন্নয়নে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৮ কোটি

নবনির্মিত অ্যাকাডেমিক ভবনে কাজের জন্য রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর আরও অর্থ বরাদ্দ করল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়কে

পরিকাঠামো উন্নয়নে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়কে ১৮ কোটি
  • ২৩ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: নবনির্মিত অ্যাকাডেমিক ভবনে কাজের জন্য রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর আরও অর্থ বরাদ্দ করল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়কে। এই ধাপে অ্যাকাডেমিক ভবনে ইলেকট্রিক, জল, লিফট, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাপনা সহ বিভিন্ন কাজের জন্য ১৮ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এনিয়ে উচ্চশিক্ষা দপ্তর থেকে একটি চিঠি এসে পৌঁছেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে। শীঘ্রই হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশনার্স (এইচআরবিসি) টেন্ডার ডেকে কাজে হাত দেবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকার বলেন, আমরা সম্প্রতি অ্যাকাডেমিক ভবনের কাজের জন্য প্রায় ১৮ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকার অনুমোদন পেয়েছি উচ্চশিক্ষা দপ্তর থেকে। এবার ভবনের উন্নয়নে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। শীঘ্রই টেন্ডার ডেকে কাজে হাত দিতে আগামী সপ্তাহেই সংস্থার আধিকারিকরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আসতে পারেন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর ২০১৫ সালে রায়গঞ্জ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়। তার আগে পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছিল। ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে শুরু হয় ১০ তলার নতুন অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ। সেই কাজ ঠিকঠাক এগলেও করোনা অতিমারিরতে অগ্রগতি থমকে যায়। টানা দু’বছর ব্যাহত হয় ভবনের নির্মাণ কাজ। শেষপর্যন্ত গতবছরই নির্মীয়মাণ ভবনের সিভিল ওয়ার্ক সম্পূর্ণ হয়। কিন্তু ইলেকট্রিক্যাল সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ না হওয়ায় অর্ধসমাপ্ত হিসেবেই পড়েছিল ঝাঁ চকচকে ভবনটি। বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম চলে রায়গঞ্জ কলেজের পুরনো পরিকাঠামোকে ভিত্তি করেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হওয়ায় শুধু উত্তর দিনাজপুর জেলা নয়, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পড়ুয়ারাও উচ্চশিক্ষার জন্য আসতে শুরু করেছেন এখানে। গবেষণা, আন্তর্জাতিক সেমিনার সহ বিভিন্ন কাজের জন্য ইতিমধ্যে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় নজর কাড়তে শুরু করেছে। এবার রাজ্য থেকে নতুন করে আর্থিক অনুমোদন মেলায় খুশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সহ পড়ুয়া সকলেই। বাকি কাজ শেষ হলেই নতুন অ্যকাডেমিক ভবনে পুরোদমে পঠনপাঠন শুরু করা যাবে বলে আশা। 
এতদিন পুরনো কলেজ বিল্ডিংয়ে ১০ হাজারের বেশি পড়ুয়া ক্লাস করছে। এখানে একই ছাদের তলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পঠপাঠন চলছে। অপ্রতুল জায়গার জন্য সেখানে পড়ুয়াদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ছিলই। বিভিন্ন বিভাগ পরিচালনা করতেও সমস্যা হচ্ছিল। এবার এই কাজ সম্পূর্ণ হলে অনেকটাই সুবিধা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, নতুন অ্যাকাডেমিক ভবনে দু’শোটিরও বেশি ক্লাসরুম রয়েছে। প্রত্যেক ফ্লোরে একটি করে অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম ছাড়াও শিক্ষকদের জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক বসার জায়গা। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ