সংবাদদাতা, শীতলকুচি: শনিবার জমি নিয়ে দুই পরিবারের বিবাদে রক্তারক্তি হল শীতলকুচি ব্লকের খলিসামারি পঞ্চায়েতের মধ্যম মধুসূদন গ্রাম। জমি কার দখলে থাকবে এ নিয়ে দুই পরিবারের মারপিট হয়। বাঁশ, লোহার রড দিয়ে একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ ঘটনায় দু’পক্ষের ১৪ জন জখম হন। শীতলকুচি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে শীতলকুচি থানার বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে দু’জনকে আটক করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের কবিরউদ্দিন মিয়াঁ ও সাহিদার মিয়াঁর মধ্যে একটি জমি নিয়ে প্রায় আট মাস ধরে বিবাদ চলছে। এনিয়ে গ্রামে সালিশি সভা ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে দুই পরিবার। জমিটি কার দখলে থাকবে এদিন এনিয়ে দুই পরিবার মারপিটে জড়ায়। সহিদার মিয়াঁ বলেন, জমিটি আমাদের। তাই এক সপ্তাহ আগে ধানের বীজ লাগিয়েছিলাম। এদিন কবিরউদ্দিন মিয়াঁ ও তাঁর পরিবারের লোকেরা এসে বীজতলা নষ্ট করে দেয়। আমরা বাধা দিলে মারধর করে। বাঁশ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। পরিবারের সাতজন জখম হয়েছেন। এ বিষয়ে পুলিসে অভিযোগ জানাব।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেন কবিরউদ্দিন মিয়াঁর ছেলে মহসিন মিয়াঁ। বলেন, জমিটি আমাদের। দীর্ঘদিন ধরেই জমিতে চাষাবাদ করে আসছি। এদিন আমরা জমিটিতে ধানের বীজ লাগাই ও বেড়া দিয়ে ঘিরে দিই। এরপরেই সাহিদার মিয়াঁ ও তাঁর পরিবারের লোকেরা এসে আমাদের বাধা দেয় এবং মারধর শুরু করে। আমার গর্ভবতী স্ত্রী সহ সাতজনকে মারা হয়েছে।
শীতলকুচি থানার ওসি অ্যান্থনি হোড়ো বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ হয়েছে। ঘটনায় উভয়পক্ষের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত করা হবে।