নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হেপাটাইটিস বি এবং সি—এই দুই অসুখ এইচআইভির চেয়েও মারাত্মক। তাই গোড়াতেই চিহ্নিতকরণ জরুরি। মঙ্গলবার বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে একথা জানালেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। এদিন স্বাস্থ্যভবনে সরকারি ও বেসরকারি গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট এবং হেপাটোলজিস্টদের এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী কার্শিয়াং, ফালাকাটা, এম আর বাঙ্গুর, করিমপুরসহ ১২টি স্থানে নতুন হেপাটাইটিস চিকিৎসা কেন্দ্র চালু করার কথা ঘোষণা করেন। মন্ত্রী বলেন, আগে ৩৬টি কেন্দ্র ছিল। আরও ১২টি যোগ হল।
রাজ্যবাসীকে স্বেচ্ছা রক্তদানে এগিয়ে আসবার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্বেচ্ছা রক্তদানের সুবিধা হল, পরোপকারের পাশাপাশি একাধিক বিপজ্জনক অসুখের স্ক্রিনিংও হয়ে যাবে। তার মধ্যে অন্যতম হল হেপাটাইটিস বি, সি এবং এইচআইভি। তিনি বলেন, উপহার এবং টাকার বিনিময়ে রক্তদান বরদাস্ত করা হবে না। প্রথমে সেই অভিযোগ পেয়েই একটি প্রাইভেট ব্লাড ব্যাংকে অভিযান চলে। তারপর দেখা যায়, তারা নিয়মবহির্ভূতভাবে ভিন রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে রক্ত বিক্রি করে দিচ্ছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রাইভেট ব্লাড ব্যাংকে হানা চলছে।
প্রসঙ্গত, এদিনও স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা নিয়ম না মেনে ভিন রাজ্যে রক্ত বিক্রির অভিযোগে বিভিন্ন ব্লাড ব্যাংকে হানা দেন। যদিও রক্তদান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের বক্তব্য, বছরের পর বছর ধরে রাজ্যের সর্ববৃহৎ সরকারি ব্লাড ব্যাংক মানিকতলার সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকের একাধিক অধিকর্তা অবসরের পরপরই বিভিন্ন প্রাইভেট ব্লাড ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদ আলো করে বসে থেকেছেন। সেটিও কি এক ধরনের স্বার্থের দ্বন্দ্ব নয়? সরকার সেদিকেও নজর দিচ্ছে কি?